ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ বেলায়েত সরকার দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে কুরবানির পশুর চামড়া ব্যবসার সাথে জড়িত।গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চামড়া ব্যবসায় সিন্ডিকেট করায় নিজেকে ৫-৬ বছর এই ব্যবসা থেকে সরিয়ে রাখেন।বর্তমান সরকার চামড়াকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে চামড়ার দাম ন্যায্য মূল্য করায় এবার এই ব্যবসায় নামেন।এবার তিনি ৬০০ চামড়া ক্রয় করেন।সরকারীভাবে চামড়া ব্যবসায়ীদেরকে কয়েকদিন সংরক্ষণের জন্য ব্যবসায়ীদেরকে লবন বরাদ্দ দেওয়া হয়।নিজে চামড়া কিনে সরকারের লবন বরাদ্দ পাওয়ার আশায় ছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত না পাওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।তার মতো এই ইউনিয়নে আরও দুইজন এবার চামড়া ব্যবসায় নামেন।তারাও লবন পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন,"আমি সরকারের উৎসাহ পেয়ে চামড়া ব্যবসায় শুরু করি এবং ৬০০ চামড়া সংরক্ষণ করতে আমার ৭ টন লবন দরকার হয়েছে।ইউএনও স্যার যদি আমাকে লবন দিত আমার উপকার হতো।আশা করি আমার জন্য লবন বরাদ্দ থাকবে,যোগ করেন তিনি।"
এ ব্যাপারে কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ সংগ্রাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,"ব্যবসায়ীরা আমার কাছে আবেদন না করায় আমি উপজেলা থেকে চামড়া আনেনি।তারা যোগাযোগ করলে তখন ব্যবস্থা করা যেত।"
এদিকে চামড়ার বন্টন বিষয়ে নবীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রাজীব চৌধুরী'কাছে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ এর পক্ষ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চামড়া না দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে।কোন কোন প্রতিষ্ঠান লবন পেয়েছে প্রশ্ন করলে এতিম খানা,লিল্লাহ বডিং,মাদ্রাসা গুলোকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান।
উল্লেখ্য, এবারের কুরবানীর ইদে নবীনগর উপজেলায় চামড়া ব্যবসায়ীদের চামড়া সংরক্ষণ করে রাখার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২৫ টন লবন বিতরন করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়।
তিনি আরও বলেন,"আমি সরকারের উৎসাহ পেয়ে চামড়া ব্যবসায় শুরু করি এবং ৬০০ চামড়া সংরক্ষণ করতে আমার ৭ টন লবন দরকার হয়েছে।ইউএনও স্যার যদি আমাকে লবন দিত আমার উপকার হতো।আশা করি আমার জন্য লবন বরাদ্দ থাকবে,যোগ করেন তিনি।"
এ ব্যাপারে কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ সংগ্রাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,"ব্যবসায়ীরা আমার কাছে আবেদন না করায় আমি উপজেলা থেকে চামড়া আনেনি।তারা যোগাযোগ করলে তখন ব্যবস্থা করা যেত।"
এদিকে চামড়ার বন্টন বিষয়ে নবীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রাজীব চৌধুরী'কাছে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ এর পক্ষ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চামড়া না দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে।কোন কোন প্রতিষ্ঠান লবন পেয়েছে প্রশ্ন করলে এতিম খানা,লিল্লাহ বডিং,মাদ্রাসা গুলোকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান।
উল্লেখ্য, এবারের কুরবানীর ইদে নবীনগর উপজেলায় চামড়া ব্যবসায়ীদের চামড়া সংরক্ষণ করে রাখার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২৫ টন লবন বিতরন করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়।