ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নে পশ্চিম বাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি ব্রয়লার মুরগীর খামারে রাতের অন্ধকারে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে ১৫০০ মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন খামার মালিক।
গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সমযয গোকর্ণ বাজারের পশ্চিমে রাস্তার উত্তর পাশে অবস্থিত একটি ব্রয়লার খামারে এ ঘটনা ঘটে। খামার মালিক গোকর্ণ ইউনিয়নের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক মোঃ আলফু মিয়া (৩৮), পিতা- আবু মিয়া, নাসিরনগর থানার দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করেন, তিনি গত ২ বছর ধরে উক্ত স্থানে খামার ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
পাশাপাশি তিনি নাহার এগ্রোফার্মের ডিলার হিসেবে মুরগির খাদ্য ও বাচ্চা সরবরাহ করে আসছেন। এজাহারে আলফু মিয়া অভিযোগ করেন, একই গ্রামের বাসিন্দা ও ব্রয়লার খামারি আপন দুই ভাই নাইবুর রহমান (২৭) ও মো. লাল মিয়া (৪৫), পিতা- মৃত তাজু মিয়া, তার মাধ্যমে নাহার কোম্পানি থেকে মুরগির খাদ্য ও বাচ্চা নিতেন। তাদের কাছে পূর্বের বকেয়া ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা চাওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরে তারা ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করেন এবং তার বিরুদ্ধে নাসিরনগর থানায় মিথ্যা অভিযোগও দায়ের করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় খামার মালিক বাড়িতে চলে যান। তখন খামারের কর্মচারীরা ফার্মের ভিতরে পানির পাত্রে পানি দিচ্ছিলেন। তারা দেখতে পান, অভিযুক্ত দুই ভাই ফার্মের উত্তর পাশে দাঁড়িয়ে গ্যাস ট্যাবলেট নিক্ষেপ করছেন। টর্চলাইটের আলোতে তাদের চিনে নাম ধরে ডাক দিলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্যাস ট্যাবলেটের বিষক্রিয়ায় খামারের ১৫০০শ মুরগি মারা যায়। খামার মালিকের দাবি অনুযায়ী, এতে তার আনুমানিক ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় নাসিরনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানান খামার মালিক মোঃ আলফু মিয়া।
নাসিরনগরে শত্রুতার জেরে খামারে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে ১৫০০ মুরগির নিধন
নাসিরনগরে শত্রুতার জেরে খামারে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে ১৫০০ মুরগির নিধন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নে পশ্চিম বাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি ব্রয়লার মুরগীর খামারে রাতের অন্ধকারে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে ১৫০০ মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন খামার মালিক। গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সমযয গোকর্ণ বাজারের পশ্চিমে রাস্তার উত্তর পাশে অবস্থিত একটি ব্রয়লার খামারে এ ঘটনা ঘটে। খামার মালিক গোকর্ণ ইউনিয়নের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক মোঃ আলফু মিয়া (৩৮), পিতা- আবু মিয়া, নাসিরনগর থানার দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করেন, তিনি গত ২ বছর ধরে উক্ত স্থানে খামার ভাড়া নিয়ে ব্যবসা
পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি তিনি নাহার এগ্রোফার্মের ডিলার হিসেবে মুরগির খাদ্য ও বাচ্চা সরবরাহ করে আসছেন। এজাহারে আলফু মিয়া অভিযোগ করেন, একই গ্রামের বাসিন্দা ও ব্রয়লার খামারি আপন দুই ভাই নাইবুর রহমান (২৭) ও মো. লাল মিয়া (৪৫), পিতা- মৃত তাজু মিয়া, তার মাধ্যমে নাহার কোম্পানি থেকে মুরগির খাদ্য ও বাচ্চা নিতেন। তাদের কাছে পূর্বের বকেয়া ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা চাওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরে তারা ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করেন এবং তার বিরুদ্ধে নাসিরনগর থানায় মিথ্যা অভিযোগও দায়ের করেন। এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় খামার মালিক বাড়িতে চলে
যান। তখন খামারের কর্মচারীরা ফার্মের ভিতরে পানির পাত্রে পানি দিচ্ছিলেন। তারা দেখতে পান, অভিযুক্ত দুই ভাই ফার্মের উত্তর পাশে দাঁড়িয়ে গ্যাস ট্যাবলেট নিক্ষেপ করছেন। টর্চলাইটের আলোতে তাদের চিনে নাম ধরে ডাক দিলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্যাস ট্যাবলেটের বিষক্রিয়ায় খামারের ১৫০০শ মুরগি মারা যায়। খামার মালিকের দাবি অনুযায়ী, এতে তার আনুমানিক ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় নাসিরনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানান খামার মালিক মোঃ আলফু মিয়া।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত