জেলার নাসিরনগর উপজেলার ১২৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইউএইচটি দুধ ছাড়াই ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এরমধ্যে ১০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় এসব বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ২ হাজার ২৩৬ জন শিক্ষার্থী উদ্বোধনী দিন বাদ পড়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।গত সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাসিরনগর সরকারি(বালিকা) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেওয়া শুধুমাত্র প্যাকেটজাত রুটি দিয়ে বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম সালেমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সামিউর বাছির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ তৌফিক এলাহী,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন।এ সময় প্রত্যাশী সংস্থার ক্লাস্টার কোর্ডিনেটর সুপ্রীত বড়ুয়া সহ,সাংবাদিকরা ও উপস্থিত ছিলেন।তাছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে মন্তব্য করে ইউএনও শাহীনা নাছরীন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্কুল ফিডিং বাস্তবায়নকারী সংস্থা প্রত্যাশী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এবং সংস্থার বাস্তবায়নে কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। এতে নাসিরনগর উপজেলার ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৩০ হাজার ৭৯৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য ফোর্টিফায়েড বিস্কুট,ডিম,কলা, রুটি ও পুষ্টিকর ইউএইচটি দুধ বিতরণ করা হচ্ছে। তবে ইউএইচটি দুধ প্রদানকারী সংস্থার কেউ উপজেলা শিক্ষা অফিসের সাথে এখন পযর্ন্ত যোগাযোগ করেন না বলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য,সপ্তাহে ৫ দিন ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিকর খাবার ফোর্টিফায়েড বিস্কুট, কলা, বনরুটি, সিদ্ধ ডিম,ইউএইচটি দুধ প্রদান করা হবে।
নাসিরনগরে স্কুল ফিডিংয়ের নামে বাচ্চাদের সাথে তামাশা কেন?
নাসিরনগরে স্কুল ফিডিংয়ের নামে বাচ্চাদের সাথে তামাশা কেন?
জেলার নাসিরনগর উপজেলার ১২৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইউএইচটি দুধ ছাড়াই ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এরমধ্যে ১০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় এসব বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ২ হাজার ২৩৬ জন শিক্ষার্থী উদ্বোধনী দিন বাদ পড়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।গত সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাসিরনগর সরকারি(বালিকা) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেওয়া শুধুমাত্র প্যাকেটজাত রুটি দিয়ে বিতরণ কর্মসূচির
উদ্বোধন করেন । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম সালেমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সামিউর বাছির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ তৌফিক এলাহী,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন।এ সময় প্রত্যাশী সংস্থার ক্লাস্টার কোর্ডিনেটর সুপ্রীত বড়ুয়া সহ,সাংবাদিকরা ও উপস্থিত ছিলেন।তাছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন । প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে মন্তব্য করে ইউএনও শাহীনা নাছরীন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং
ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্কুল ফিডিং বাস্তবায়নকারী সংস্থা প্রত্যাশী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এবং সংস্থার বাস্তবায়নে কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। এতে নাসিরনগর উপজেলার ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৩০ হাজার ৭৯৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য ফোর্টিফায়েড বিস্কুট,ডিম,কলা, রুটি ও পুষ্টিকর ইউএইচটি দুধ বিতরণ করা হচ্ছে। তবে ইউএইচটি দুধ প্রদানকারী সংস্থার কেউ উপজেলা শিক্ষা অফিসের সাথে এখন পযর্ন্ত যোগাযোগ করেন না বলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য,সপ্তাহে ৫ দিন ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিকর খাবার ফোর্টিফায়েড বিস্কুট, কলা, বনরুটি, সিদ্ধ ডিম,ইউএইচটি দুধ প্রদান করা হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত