ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ইইনিয়নের ফান্দাউক গুচ্ছ গ্রামে। জানা গেছে গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী মোঃ জসীম উদ্দিনের ছেলে মোঃ শাকিল মিয়া (২২)।
প্রায় ২ মাস পূর্বে বিয়ে করেন পাশ্বর্বতী হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের মৃত মোঃ শেফল মিয়ার মেয়ে রুনা আক্তার (১৬)কে।বিয়ের পর তারা স্বামী স্ত্রী হিসেব সুখে শান্তিতে সংসার করেতে থাকে।গত ২৫ জুলাই রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় শাকিলের স্ত্রী রুনা আক্তার প্রাকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘর থেকে বের হওয়া মাত্রই পূর্ব থেকে উৎপেতে বসে থাকা প্রতিবেশী নোয়াহাটির শেরু মিয়ার ছেলে কালন ওরুপে কাইল্লা ও তার ২ সহযোগি মিলে রুনার মুখ কাপড় দিয়ে বেধে ফান্দাউক মাছ বাজারের উত্তর পশ্চিম কোনায় খোলা মাঠে নিয়ে ৩ জনে মিলে রুনার ইচ্ছার বিরোদ্ধে সারা রাত ভর ধর্ষণ করে।
ভোরবেলা লোকজন চোঁখমুখ বাঁধা অবস্থায় রোনাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রুনার স্বামী শাকিল মিয়া তার স্ত্রীকে ধর্ষনের বিষয়ে জিগ্গেস করতে গেলে কাইল্লা ও তার লোকজন মিলে শাকিলকে ফান্দাউক বাজারে ফেলে প্রচন্ড মারপিট করে।শুধু সেখানেই শেষ নয়।
আবারো বাড়িতে এসে কাইল্লা তার লোকজন নিয়ে শাকিলকে তার মা বাবা ও স্ত্রীর সামনে শাকিলের নিজ ঘরে ফেলে মারপিট করে।স্ত্রীর ধর্ষণ আর ধর্ষণকারীর মারপিটের লজ্জা সহ্য করতে না পেরে গত ২৬ জুলাই শাকিল মিয়া ইদুর মারার বুলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার পর সদর থানা পুলিশের এস আই মোঃ আরিফুল ইসলাম শাকিলের মৃত দেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশের ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া মর্গে প্রেরণ করেন।
এঘটনায় শাকিলের বাবা নাসিরনগর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহেল সিকদার জানিয়েছেন।তিনি জানান ধর্ষণের মত কোন ঘটনা আমরা শুনিনি বা কেউ থানায় অভিযোগ করেননি।
অপরদিকে শাকিলের বাবা জসিম উদ্দিন বলেন,ছেলে মারা গেছে আমার মাথা ঠিক নেই। এ সময় পুলিশ ময়না তদন্তের কথা বলে আমার কাছ থেকে একটি কাগজে সই নেয়।আমি মুর্খ মানুষ লেখাপড়া জানিনা,তাদের কথা বিশ্বাস করে কাগজে সই করি।
এলাকার সর্দার মাতাব্বররা বিষয় গুলো স্থানীয় ভাবে শেষ করে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘুরাতে থাকে।আর সর্দারা বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অংকের টাকা লেনদেনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিচারের আশায় সর্দারে পেছনে ঘুরে কোন বিচার না পেয়ে অবশেষে ধর্ষিতা রুনা আক্তার বাদী হয়ে কাইল্লা ও তার সহযোগি ২ জন সহ মোট ৩ জনের বিরোদ্ধে গতকাল ১০ আগষ্ট ২০২৫ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্তপূর্ব আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন
অপরদিকে শাকিলের মা আছমা বেগম বাদী হয়ে তার পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে কাইল্লা সহ তার সহযোগি ৫ জনকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ চীপজুডিশিয়া ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আলাদা আরো একটি মামলা দায়ের করেন।আদালত আগামীকাল মামলাটির আদেশ দিবেন বলে মামলার বাদী আছমা বেগম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
প্রায় ২ মাস পূর্বে বিয়ে করেন পাশ্বর্বতী হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের মৃত মোঃ শেফল মিয়ার মেয়ে রুনা আক্তার (১৬)কে।বিয়ের পর তারা স্বামী স্ত্রী হিসেব সুখে শান্তিতে সংসার করেতে থাকে।গত ২৫ জুলাই রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় শাকিলের স্ত্রী রুনা আক্তার প্রাকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘর থেকে বের হওয়া মাত্রই পূর্ব থেকে উৎপেতে বসে থাকা প্রতিবেশী নোয়াহাটির শেরু মিয়ার ছেলে কালন ওরুপে কাইল্লা ও তার ২ সহযোগি মিলে রুনার মুখ কাপড় দিয়ে বেধে ফান্দাউক মাছ বাজারের উত্তর পশ্চিম কোনায় খোলা মাঠে নিয়ে ৩ জনে মিলে রুনার ইচ্ছার বিরোদ্ধে সারা রাত ভর ধর্ষণ করে।
ভোরবেলা লোকজন চোঁখমুখ বাঁধা অবস্থায় রোনাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রুনার স্বামী শাকিল মিয়া তার স্ত্রীকে ধর্ষনের বিষয়ে জিগ্গেস করতে গেলে কাইল্লা ও তার লোকজন মিলে শাকিলকে ফান্দাউক বাজারে ফেলে প্রচন্ড মারপিট করে।শুধু সেখানেই শেষ নয়।
আবারো বাড়িতে এসে কাইল্লা তার লোকজন নিয়ে শাকিলকে তার মা বাবা ও স্ত্রীর সামনে শাকিলের নিজ ঘরে ফেলে মারপিট করে।স্ত্রীর ধর্ষণ আর ধর্ষণকারীর মারপিটের লজ্জা সহ্য করতে না পেরে গত ২৬ জুলাই শাকিল মিয়া ইদুর মারার বুলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার পর সদর থানা পুলিশের এস আই মোঃ আরিফুল ইসলাম শাকিলের মৃত দেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশের ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া মর্গে প্রেরণ করেন।
এঘটনায় শাকিলের বাবা নাসিরনগর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহেল সিকদার জানিয়েছেন।তিনি জানান ধর্ষণের মত কোন ঘটনা আমরা শুনিনি বা কেউ থানায় অভিযোগ করেননি।
অপরদিকে শাকিলের বাবা জসিম উদ্দিন বলেন,ছেলে মারা গেছে আমার মাথা ঠিক নেই। এ সময় পুলিশ ময়না তদন্তের কথা বলে আমার কাছ থেকে একটি কাগজে সই নেয়।আমি মুর্খ মানুষ লেখাপড়া জানিনা,তাদের কথা বিশ্বাস করে কাগজে সই করি।
এলাকার সর্দার মাতাব্বররা বিষয় গুলো স্থানীয় ভাবে শেষ করে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘুরাতে থাকে।আর সর্দারা বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অংকের টাকা লেনদেনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিচারের আশায় সর্দারে পেছনে ঘুরে কোন বিচার না পেয়ে অবশেষে ধর্ষিতা রুনা আক্তার বাদী হয়ে কাইল্লা ও তার সহযোগি ২ জন সহ মোট ৩ জনের বিরোদ্ধে গতকাল ১০ আগষ্ট ২০২৫ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্তপূর্ব আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন
অপরদিকে শাকিলের মা আছমা বেগম বাদী হয়ে তার পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে কাইল্লা সহ তার সহযোগি ৫ জনকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ চীপজুডিশিয়া ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আলাদা আরো একটি মামলা দায়ের করেন।আদালত আগামীকাল মামলাটির আদেশ দিবেন বলে মামলার বাদী আছমা বেগম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব