পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে অপহরণ করে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মঠবাড়িয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাটাজোড় এলাকার বাসিন্দা *আলমগীর (৪৫)*, ছেলে হৃদয়, হঠাৎ বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় ইজিবাইকে (অটো) করে মঠবাড়িয়া শহরের উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর থেকে তার খোঁজ মিলছিল না।
পরদিন পরিবারের সদস্যরা ফোনে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির কাছ থেকে *৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ* দাবি সংক্রান্ত কল পান। ওই কলটি আসে নম্বর *০১৭১৬৪৭৭৩১৭* থেকে। তবে পরিবার টাকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও এরপর থেকে অপহরণকারীদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় আলমগীরের ছেলে হৃদয় (১৭) মঠবাড়িয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর–১৪৯৪, তারিখ ২২/১০/২০২৫) করেন।
পরবর্তীতে ২৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে স্থানীয়রা হৃদয়ের *মৃতদেহ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে* দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) *মাহবুবুর রহমান* বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মুক্তিপণের জন্য ফোন করা নম্বরটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
নিহতের পরিবার জানায়, আলমগীর পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। পরিবারটি এখন ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মঠবাড়িয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাটাজোড় এলাকার বাসিন্দা *আলমগীর (৪৫)*, ছেলে হৃদয়, হঠাৎ বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় ইজিবাইকে (অটো) করে মঠবাড়িয়া শহরের উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর থেকে তার খোঁজ মিলছিল না।
পরদিন পরিবারের সদস্যরা ফোনে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির কাছ থেকে *৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ* দাবি সংক্রান্ত কল পান। ওই কলটি আসে নম্বর *০১৭১৬৪৭৭৩১৭* থেকে। তবে পরিবার টাকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও এরপর থেকে অপহরণকারীদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় আলমগীরের ছেলে হৃদয় (১৭) মঠবাড়িয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর–১৪৯৪, তারিখ ২২/১০/২০২৫) করেন।
পরবর্তীতে ২৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে স্থানীয়রা হৃদয়ের *মৃতদেহ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে* দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) *মাহবুবুর রহমান* বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মুক্তিপণের জন্য ফোন করা নম্বরটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
নিহতের পরিবার জানায়, আলমগীর পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। পরিবারটি এখন ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব