মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়।
আজ বুধবার (৩০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেছিলেন।
মোবারক হোসেন ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। রায়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়, একাত্তরে মোবারক হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনীত পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়। এর একটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড ও অন্যটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
রায়ের বিরুদ্ধে মোবারক হোসেন আপিল করেন এবং চলতি বছরের ৮ জুলাই থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। সর্বশেষ আপিল বিভাগ তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে খালাস দিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
আজ বুধবার (৩০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেছিলেন।
মোবারক হোসেন ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। রায়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করা হয়, একাত্তরে মোবারক হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজাকার বাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনীত পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়। এর একটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড ও অন্যটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
রায়ের বিরুদ্ধে মোবারক হোসেন আপিল করেন এবং চলতি বছরের ৮ জুলাই থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। সর্বশেষ আপিল বিভাগ তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে খালাস দিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব