টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ইচাইল এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদীর তীর থেকে দিন-দুপুরে অবাধে বালু লুট করে নিয়ে যাচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। প্রকাশ্যেই ড্রাম ট্রাকযোগে এই বালু সরিয়ে নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর আগে লৌহজং নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে নদী খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। খননকৃত বালু সাময়িকভাবে নদীর তীরবর্তী এলাকায় স্তূপ করে রাখা হলেও নির্ধারিত সময়ে টেন্ডারের মাধ্যমে তা বিক্রি না করায় সুযোগ নিচ্ছে বালু লুটেরারা। তারা এসব বালু অবৈধভাবে উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছে।
এর ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিদিন ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে এলাকার গ্রামীণ রাস্তাগুলো ভেঙে পড়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠছে।
সরজমিনে দেখা যায়, বালু পরিবহনের সুবিধার্থে বালু ব্যবসায়ীরা একটি সরকারি খাল ভরাট করে সেখানে অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করেছে, যা পরিবেশ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, নদীর তীর ধ্বংস, রাস্তার বেহাল দশা ও সরকারি খাল ভরাটের বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
এ বিষয়ে বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে তিনি দাবি করেন, “নদীর তীরে আমার নিজ জমির বালু আমি বিক্রি করছি। এখানে কারো অভিযোগ থাকার কথা নয়।” তবে নদী খননের বালু কার অনুমতিতে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য না করে নীরব থাকেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর আগে লৌহজং নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে নদী খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। খননকৃত বালু সাময়িকভাবে নদীর তীরবর্তী এলাকায় স্তূপ করে রাখা হলেও নির্ধারিত সময়ে টেন্ডারের মাধ্যমে তা বিক্রি না করায় সুযোগ নিচ্ছে বালু লুটেরারা। তারা এসব বালু অবৈধভাবে উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছে।
এর ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিদিন ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে এলাকার গ্রামীণ রাস্তাগুলো ভেঙে পড়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠছে।
সরজমিনে দেখা যায়, বালু পরিবহনের সুবিধার্থে বালু ব্যবসায়ীরা একটি সরকারি খাল ভরাট করে সেখানে অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করেছে, যা পরিবেশ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, নদীর তীর ধ্বংস, রাস্তার বেহাল দশা ও সরকারি খাল ভরাটের বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
এ বিষয়ে বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে তিনি দাবি করেন, “নদীর তীরে আমার নিজ জমির বালু আমি বিক্রি করছি। এখানে কারো অভিযোগ থাকার কথা নয়।” তবে নদী খননের বালু কার অনুমতিতে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য না করে নীরব থাকেন।