মেহেরপুরের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে গেল ৬ মাস ধরে চলছে ওষুধ চাড়াই। এতে স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষেরা। প্রতিনিয়ত চিকিৎসা নিতে এসে ওষুধ ছাড়াই ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা। আর ওষুধের অভাবে রোগীরা কমিউনিটি ক্লিনিক বিমুখ হচ্ছে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। ওষুধ সংকটের বিষয়টি উর্ধ্বতন মহল জানলেও প্রতিকার হচ্ছে না বলে জানালেন ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্তরা।
মেহেরপুর সদর উপজেলায় রয়েছে ২৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ওষুধ সংকটে শুধু মৌখিক চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ওষুধ না থাকার অজুহাতে অনিয়মিত অফিস করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার বা ঈঐঈচ । গেল বছর ডিসেম্বরে সর্বশেষ ওষুধের বরাদ্দ পেলেও অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ শেষ হয়ে গেছে দুই মাস আগেই। গ্রামের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধ প্রাপ্তির এক মহা সুযোগ হিসেবে বিবেচিত এই ক্লিনিকগুলো। প্রতিদিনই নারী ও শিশুরা নানা রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করে ক্লিনিকগুলোতে।
সর্দি জ্বরের সাধারণ ওষুধ থেকে শরু করে বিভিন্ন রোগের এন্টিবায়োটিক ওষুধ মেলে ক্লিনিকগুলোতে। এতে গ্রামীণ নারীদের চিকিৎসায় এসেছে বিরাট পরিবর্তন। বিনামুলে ওষুধ আর চিকিৎসা সেবা নিয়ে রোগীরা ছিলেন বেজায় খুশি। ওষুধ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা। বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা না পেয়ে অগত্যা বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। আর্থিক অসচ্ছলতায় চিকিৎসা না নিয়ে রোগে ভুগছেন অনেকে।
চিকিৎসা নিতে আসা মনোয়ারা খাতুন ও মাহিরন নেছা জানান, এখানে ্আগে ওষুধ পাওয়া যেতো বিনে পয়সায়। এখন রোগ দেখা আসলে ক্লিনিকের লোকজন বলে কোন ওষুধ নেই। শুন্য হাতে ফিরতে হয় আর বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়।
কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ২৭ রকমের ওষুধ বরাদ্দ থাকলেও এখন রয়েছে শুধুমাত্র গ্যাসের ও ভিটামিন জাতীয় ট্যাবলেটগুলো। ওষুধ না থাকায় অনেকেই সেবা নিতে কমিউনিটি ক্লিনিকে আসছেন না বলে জানাচ্ছে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা।
আলমপুর কমিউনিটি ক্লিনিক হেল্থ প্রভাইডার নুরুন্নাহার জানান, ডিসেম্বরের পরে আর ওকান ওষুধ দেয়া হয়নি। যা আছে তাই রোগীদেরকে দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গাংনী উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতেও ওষুষ ফুরিয়ে আসছে। এখানকার ক্লিনিকগুলোতে সর্বশেষ ওষুধ বরাদ্দ পেয়েছে মে মাসে। ওষুধ ফুরালেও নতুন বরাদ্দ পান নি বলে জানালেন গাড়াডোব কমিউনিটি ক্লিনিক ফাহমিদা খাতুন।
বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলের নজরে দেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আঞ্জুমান আরা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মেহেরপুর সদর উপজেলায় রয়েছে ২৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ওষুধ সংকটে শুধু মৌখিক চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ওষুধ না থাকার অজুহাতে অনিয়মিত অফিস করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার বা ঈঐঈচ । গেল বছর ডিসেম্বরে সর্বশেষ ওষুধের বরাদ্দ পেলেও অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ শেষ হয়ে গেছে দুই মাস আগেই। গ্রামের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধ প্রাপ্তির এক মহা সুযোগ হিসেবে বিবেচিত এই ক্লিনিকগুলো। প্রতিদিনই নারী ও শিশুরা নানা রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করে ক্লিনিকগুলোতে।
সর্দি জ্বরের সাধারণ ওষুধ থেকে শরু করে বিভিন্ন রোগের এন্টিবায়োটিক ওষুধ মেলে ক্লিনিকগুলোতে। এতে গ্রামীণ নারীদের চিকিৎসায় এসেছে বিরাট পরিবর্তন। বিনামুলে ওষুধ আর চিকিৎসা সেবা নিয়ে রোগীরা ছিলেন বেজায় খুশি। ওষুধ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবা। বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা না পেয়ে অগত্যা বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। আর্থিক অসচ্ছলতায় চিকিৎসা না নিয়ে রোগে ভুগছেন অনেকে।
চিকিৎসা নিতে আসা মনোয়ারা খাতুন ও মাহিরন নেছা জানান, এখানে ্আগে ওষুধ পাওয়া যেতো বিনে পয়সায়। এখন রোগ দেখা আসলে ক্লিনিকের লোকজন বলে কোন ওষুধ নেই। শুন্য হাতে ফিরতে হয় আর বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়।
কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ২৭ রকমের ওষুধ বরাদ্দ থাকলেও এখন রয়েছে শুধুমাত্র গ্যাসের ও ভিটামিন জাতীয় ট্যাবলেটগুলো। ওষুধ না থাকায় অনেকেই সেবা নিতে কমিউনিটি ক্লিনিকে আসছেন না বলে জানাচ্ছে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা।
আলমপুর কমিউনিটি ক্লিনিক হেল্থ প্রভাইডার নুরুন্নাহার জানান, ডিসেম্বরের পরে আর ওকান ওষুধ দেয়া হয়নি। যা আছে তাই রোগীদেরকে দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গাংনী উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতেও ওষুষ ফুরিয়ে আসছে। এখানকার ক্লিনিকগুলোতে সর্বশেষ ওষুধ বরাদ্দ পেয়েছে মে মাসে। ওষুধ ফুরালেও নতুন বরাদ্দ পান নি বলে জানালেন গাড়াডোব কমিউনিটি ক্লিনিক ফাহমিদা খাতুন।
বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলের নজরে দেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আঞ্জুমান আরা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব