মেহেরপুরে বিএনপির দুপক্ষের সমর্থকদের বাকবিতন্ডার মাঝে পড়ে মফেজ আলী নামের এক জন নিহত হয়েছেন। নিহত মফেজ আলী মেহেরপুর সদর উপজেলার কালিগাংনী গ্রামের ভিটাপাড়া এলাকার জামাল আলীর ছেলে। মফেজ মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মাসুদ অরুন সমর্থক।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে কালীগাংনী গ্রামের ঘোনারমোড় নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, চা এর দোকানে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাসেম আলী ও বিএনপি কর্মী সাবদার আলীর মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কিল—ঘুষি শুরু হয়। এসময় নিহত মফেজও যুক্ত হয়। এসময় সাবদার আলী তার বুকে লাথি মারলে মাটিতে পড়ে যায় সে। পরে তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এরা হলেন, শুকুর আলীর ছেলে প্রবাসফেরত জিনারুল ইসলাম, সাবদার আলী ও তার ছেলে হাসানুজ্জামান।
ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান সদর থানা অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন।
উল্লেখ্য, নিহত মফেজ মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মাসুদ অরুন সমর্থক ও ইউপি সদস্য কাসেম আলী সমর্থক।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
স্থানীয়রা জানান, চা এর দোকানে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাসেম আলী ও বিএনপি কর্মী সাবদার আলীর মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কিল—ঘুষি শুরু হয়। এসময় নিহত মফেজও যুক্ত হয়। এসময় সাবদার আলী তার বুকে লাথি মারলে মাটিতে পড়ে যায় সে। পরে তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাবের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এরা হলেন, শুকুর আলীর ছেলে প্রবাসফেরত জিনারুল ইসলাম, সাবদার আলী ও তার ছেলে হাসানুজ্জামান।
ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান সদর থানা অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন।
উল্লেখ্য, নিহত মফেজ মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মাসুদ অরুন সমর্থক ও ইউপি সদস্য কাসেম আলী সমর্থক।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব