টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্মার্ট কার্ড বিতরণের কাজ চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে আসা অনেকের স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ থেকে আসা একটি চক্র স্মার্ট কার্ড লেমিনেটিংএ ৩গুন টাকা বাড়িয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এখানে একটি মহিলা চক্রও রয়েছে যারা বোরখা পরে মেয়েদের লাইনে ঢুকে গলা থেকে স্বণের চেইন ও ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন চুরি করছে। ইতিমধ্যে এ চক্রের এক মহিলা সদস্যকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনগন।
স্মার্ট কার্ড সংগ্রহকারীদের অভিযোগ, আমাদেরকে ডেকে নিয়ে স্মার্ট কার্ডের লেমিনেটিং করার বিল নিচ্ছে ১২০/১৫০ টাকা। আবার এ গ্রুপের কিছু লোক অনেকের কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে বিকাশ অথবা নগদ একাউন্ট করে দিচ্ছেন। এছাড়াও এ গ্রুপটি অসংখ্য মানুষের স্মার্ট কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহে রেখে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেউ কেউ ধারনা করছেন পরবর্তীতে এসব কার্ড এবং তাদের করে দেওয়া নগদ একাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎ করার আশংকা রয়েছে ।
অভিযোগে আরও বলা হয়, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পুরাতন এনআইডি কার্ড দেখিয়ে যে টোকেন সংগ্রহ করতে হয় সেই টোকেন সহজেই পেতে এই চক্রটি ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন।
এ এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন মধুপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান জীম এর নেতৃত্বে একদল ছাত্র সৈনিক। তারা এসে সকল অভিযোগ হাতেনাতে প্রমান পেয়ে মাঠ থেকে সকল দোকানপাট তুলে দেন। কিন্তু সঙ্গত কারনে এখনও চলছে এসব অপকর্ম। এলাকাবাসী এসব চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এছাড়া রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ থেকে আসা একটি চক্র স্মার্ট কার্ড লেমিনেটিংএ ৩গুন টাকা বাড়িয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এখানে একটি মহিলা চক্রও রয়েছে যারা বোরখা পরে মেয়েদের লাইনে ঢুকে গলা থেকে স্বণের চেইন ও ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন চুরি করছে। ইতিমধ্যে এ চক্রের এক মহিলা সদস্যকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনগন।
স্মার্ট কার্ড সংগ্রহকারীদের অভিযোগ, আমাদেরকে ডেকে নিয়ে স্মার্ট কার্ডের লেমিনেটিং করার বিল নিচ্ছে ১২০/১৫০ টাকা। আবার এ গ্রুপের কিছু লোক অনেকের কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে বিকাশ অথবা নগদ একাউন্ট করে দিচ্ছেন। এছাড়াও এ গ্রুপটি অসংখ্য মানুষের স্মার্ট কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহে রেখে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেউ কেউ ধারনা করছেন পরবর্তীতে এসব কার্ড এবং তাদের করে দেওয়া নগদ একাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎ করার আশংকা রয়েছে ।
অভিযোগে আরও বলা হয়, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পুরাতন এনআইডি কার্ড দেখিয়ে যে টোকেন সংগ্রহ করতে হয় সেই টোকেন সহজেই পেতে এই চক্রটি ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন।
এ এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন মধুপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান জীম এর নেতৃত্বে একদল ছাত্র সৈনিক। তারা এসে সকল অভিযোগ হাতেনাতে প্রমান পেয়ে মাঠ থেকে সকল দোকানপাট তুলে দেন। কিন্তু সঙ্গত কারনে এখনও চলছে এসব অপকর্ম। এলাকাবাসী এসব চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব