নওগাঁর মান্দায় ভিমরুলের কামড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক প্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮ টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।
নিহত কিশোরের নাম শামীম হোসেন(১৭)। তিনি কুসুম্বা ইউপি'র ঠনঠনিয়া গ্রামের তোফাজ্জলের ছেলে। জন্মগতভাবে তিনি প্রতিবন্ধী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপর ২টার দিকে কৃষকের কাটা ধান ভ্যানে করে আনার জন্য গ্রামের কয়েকজন উদ্দার বিলের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় শামীমও ভ্যানের পেছনে পেছনে হাঁটছিল। হঠাৎ বিলের পাশের জঙ্গলে থাকা ভিমরুলের ঝাঁকের মধ্যে পড়েন তিনি।
মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য ভিমরুলের হুলে জর্জরিত হয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন শামীম। স্থানীয়রা দ্রুত খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভর্তি করে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮ টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।
নিহতের মা শাহিনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলে ভ্যানের পেছনে হেঁটে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভিমরুল এসে আক্রমণ শুরু করে। হাসপাতালে নেওয়ার পরও যন্ত্রণায় কাঁপছিল। ডাক্তার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না।
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোঃ জয়নাল আবেদিন বলেন, শামীমকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ভিমরুলের একাধিক হুলের কামড়ের কারণে তার অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কুসুম্বা ইউপি চেয়ারম্যান নওফেল আলী মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিমরুলের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে প্রতিবন্দী হওয়ায় ও পরিবারের কোন আপত্তি না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
নিহত কিশোরের নাম শামীম হোসেন(১৭)। তিনি কুসুম্বা ইউপি'র ঠনঠনিয়া গ্রামের তোফাজ্জলের ছেলে। জন্মগতভাবে তিনি প্রতিবন্ধী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপর ২টার দিকে কৃষকের কাটা ধান ভ্যানে করে আনার জন্য গ্রামের কয়েকজন উদ্দার বিলের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় শামীমও ভ্যানের পেছনে পেছনে হাঁটছিল। হঠাৎ বিলের পাশের জঙ্গলে থাকা ভিমরুলের ঝাঁকের মধ্যে পড়েন তিনি।
মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য ভিমরুলের হুলে জর্জরিত হয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন শামীম। স্থানীয়রা দ্রুত খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভর্তি করে দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮ টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।
নিহতের মা শাহিনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলে ভ্যানের পেছনে হেঁটে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভিমরুল এসে আক্রমণ শুরু করে। হাসপাতালে নেওয়ার পরও যন্ত্রণায় কাঁপছিল। ডাক্তার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আমার ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না।
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোঃ জয়নাল আবেদিন বলেন, শামীমকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ভিমরুলের একাধিক হুলের কামড়ের কারণে তার অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কুসুম্বা ইউপি চেয়ারম্যান নওফেল আলী মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিমরুলের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে প্রতিবন্দী হওয়ায় ও পরিবারের কোন আপত্তি না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব