নওগাঁর মান্দায় বড়বেলালদহ ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষে তালা লাগানোর প্রতিবাদে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দ্রুত তালা খুলে দেওয়ার দাবীতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকী দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ মে) সোমবার দুদিন ধরে সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে এ দাবী জানান। মাদ্রাসার গভর্ণিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কিছু স্বার্থন্বেষী ও কুচক্রী মহলের ইন্ধনে গত বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
সরজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কাইউম এর অফিস কক্ষে তালা ঝুলছিল। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মাঠে সমবেত হয়ে অবস্থান নেয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাকারিয়া হোসেন, সুরাইয়া খাতুন, সাদিয়া খাতুন ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোস্তাকিমসহ অনেক শিক্ষার্থী জানান, হঠাৎ করেই গত বৃহস্পতিবার সকালে কে বা কারা প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি ও শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করার জন্য তালা ঝুলিয়েছে। এতে আমাদের ক্লাসের ক্ষতি হচ্ছে, মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সামনে পরীক্ষা থাকায় আমাদের পড়াশুনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা জানি না কারা তালা ঝুলিয়েছে? যারা তালা ঝুলিয়েছে, আমরা চাই, তারাই তালা খুলে দিক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অত্র মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মনসুর রহমান ও তাঁর ভগ্নিপতি অবসরপ্রাপ্ত ইবতেদ্বায়ী ক্বারী শিক্ষক মমতাজ হোসেনসহ তাদের নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি গত বৃহস্পতিবার (৮ মে) মাদ্রাসার শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন।
তালা খোলার বিষয়ে মনসুর রহমান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা তালা লাগিয়েছে তারাই ভালো বলতে পারবেন। তালা খোলা একটি প্রক্রিয়ার ব্যাপার।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কাউয়ুম তালা ঝুলানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এলাকাবাসী, মাদ্রাসার শিক্ষক ও গভর্ণিং বডির সদস্যদের সাথে আলোচনা করেই গভর্ণিং বডি গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মনসুর রহমান ও তাঁর ভগ্নিপতি অবসরপ্রাপ্ত ইবতেদ্বায়ী ক্বারী শিক্ষক মমতাজ হোসেনসহ তাদের নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি গত ৮ মে তারিখে মাদ্রাসার শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন জোরপূর্বক আমার অফিস কক্ষে তালা লাগানোই গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আটকা পড়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের সাথে যে শিক্ষক-কর্মচারী জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহন করায় চাকুরী বিধির পরিপন্থী ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে গত ০৮ মে দরোজায় তালা লাগানোর এ ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসার প্রক্রিয়াধীন গভর্ণিং বডির সভাপতি এম, এম, আমিনুল ইসলামকে মাদ্রাসার ক্যাচমেন্ট এরিয়ার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁর ছেলে মাদ্রাসার ফাযিল ২য় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী। নিবন্ধন নং ২২২০৪৮০৮৯। তিনি একজন ছাত্র অভিভাবকও বটে। তিনি নওগাঁ জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব ও মান্দা উপজেলার জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। বর্তমান কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য কুশুম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম মোর্শেদ চৌধুরী এবং আরেক সদস্য হলেন মান্দা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও কুশুম্বা ইউনিয়ন যুবদলের সহ সভাপতি শান্ত মোল্লা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সরজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কাইউম এর অফিস কক্ষে তালা ঝুলছিল। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মাঠে সমবেত হয়ে অবস্থান নেয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাকারিয়া হোসেন, সুরাইয়া খাতুন, সাদিয়া খাতুন ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোস্তাকিমসহ অনেক শিক্ষার্থী জানান, হঠাৎ করেই গত বৃহস্পতিবার সকালে কে বা কারা প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি ও শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করার জন্য তালা ঝুলিয়েছে। এতে আমাদের ক্লাসের ক্ষতি হচ্ছে, মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সামনে পরীক্ষা থাকায় আমাদের পড়াশুনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা জানি না কারা তালা ঝুলিয়েছে? যারা তালা ঝুলিয়েছে, আমরা চাই, তারাই তালা খুলে দিক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অত্র মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মনসুর রহমান ও তাঁর ভগ্নিপতি অবসরপ্রাপ্ত ইবতেদ্বায়ী ক্বারী শিক্ষক মমতাজ হোসেনসহ তাদের নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি গত বৃহস্পতিবার (৮ মে) মাদ্রাসার শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন।
তালা খোলার বিষয়ে মনসুর রহমান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা তালা লাগিয়েছে তারাই ভালো বলতে পারবেন। তালা খোলা একটি প্রক্রিয়ার ব্যাপার।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কাউয়ুম তালা ঝুলানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এলাকাবাসী, মাদ্রাসার শিক্ষক ও গভর্ণিং বডির সদস্যদের সাথে আলোচনা করেই গভর্ণিং বডি গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মনসুর রহমান ও তাঁর ভগ্নিপতি অবসরপ্রাপ্ত ইবতেদ্বায়ী ক্বারী শিক্ষক মমতাজ হোসেনসহ তাদের নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি গত ৮ মে তারিখে মাদ্রাসার শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন জোরপূর্বক আমার অফিস কক্ষে তালা লাগানোই গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আটকা পড়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের সাথে যে শিক্ষক-কর্মচারী জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহন করায় চাকুরী বিধির পরিপন্থী ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে গত ০৮ মে দরোজায় তালা লাগানোর এ ঘটনা ঘটে।
মাদ্রাসার প্রক্রিয়াধীন গভর্ণিং বডির সভাপতি এম, এম, আমিনুল ইসলামকে মাদ্রাসার ক্যাচমেন্ট এরিয়ার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁর ছেলে মাদ্রাসার ফাযিল ২য় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী। নিবন্ধন নং ২২২০৪৮০৮৯। তিনি একজন ছাত্র অভিভাবকও বটে। তিনি নওগাঁ জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব ও মান্দা উপজেলার জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। বর্তমান কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য কুশুম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম মোর্শেদ চৌধুরী এবং আরেক সদস্য হলেন মান্দা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও কুশুম্বা ইউনিয়ন যুবদলের সহ সভাপতি শান্ত মোল্লা।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব