বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
সারাবাংলা মান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেড়েছে: চিকিৎসা নিচ্ছেন বারান্দাতে
logo

মান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেড়েছে: চিকিৎসা নিচ্ছেন বারান্দাতে

৬ দিনের একটানা তাপপ্রবাহের কারণে নওগাঁর মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুন বেড়ে গেছে। ডায়রিয়া ও গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ছয় দিনে অন্তত ২৩৫জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।   

এর মধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৮৫ জন। আর প্রচণ্ড গরমের কারণে পানি শূন্যতা, পেট ব্যথা, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে চিকিৎসা নিয়েছেন আরও ১৫০ জন।

৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৬৭ জন। ফলে বেডের অভাবে অনেক রোগীকে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব স্থানে বিদ্যুতের সুবিধা না থাকায় গরমে চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগ বেড়েছে রোগী ও তাদের স্বজনদের। 

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় পিরপালি বাজার থেকে পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন কুরসিয়া বিবি (৬০)। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাকে বারান্দায় রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ নেই, ফ্যানও নেই। গরমে আর পেটব্যথায় একেবারে নাকাল অবস্থা। একটু ভালো জায়গা আর চিকিৎসার ঠিকঠাক ব্যবস্থা চাই।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজনের দাবি, দ্রুত হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো, বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিতসহ পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাসনিম হুসাইন আরিফ বলেন, ‘কোরবানির দিন থেকে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে হঠাৎ করেই রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। জনবল সংকটে আমরা চিকিৎসাসেবা দিতে চরম হিমশিম অবস্থায় পড়ে সীমাহীন কষ্টের মধ্যে আছি।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘মাত্র চারজন চিকিৎসক নিয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও আবাসিক চিকিৎসাসেবা চালিয়ে নিতে হচ্ছে। হঠাৎ রোগীর চাপ অনেক বেড়ে যাওয়ায় বেড সংকুলান সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। রোগীর চাপ এ রকম থাকলে আমাদের আরও সমস্যায় পড়তে হতে পারে।’

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন