রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী ও ছেলে আফসান ওহি অক্ষত ফিরলেও নিখোঁজ হন তার মা আফসানা প্রিয়া (৩০)। নিখোঁজের তিনদিন পর ডিএনএ টেস্টে সেই শিক্ষার্থী আফসানের মা আফসানার পরিচয় মিললে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। এ সময় এলাকায় হৃদয়বিধারক সৃষ্টি হয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত আফসানা প্রিয়া গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর ইউনিয়নের মেদীআশুলাই এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল ওহাব মৃধার স্ত্রী ও মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী আফসানের মা।
এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় গত সোমবার দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় ওই স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী। ওই স্কুলের তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী আফসান। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালেও ছেলে আফসানকে নিয়ে স্কুলে যান তার মা আফসানা। ছেলেকে শ্রেনী কক্ষে দিয়ে প্রতিদিনের মতো ওই স্কুলের অভিভাবক কক্ষে অবস্থান করছিলেন মা আফসানা। দুপুরে হঠাৎ একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে ওই স্কুলের মাঠে পড়ে। মুহুর্তের মধ্যে বিধ্বস্ত বিমানের আগুনের লেলিহান শিখা ওই স্কুলের মাঠসহ বিভিন্ন কক্ষে আগুন লেগে যায়। এ বিমান বিধ্বস্তের দুর্ঘটনায় ওই স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত ও আহত হয়েছেন। মুহুর্তের মধ্যে ভারী হয়ে উঠে ওই স্কুলের ক্যাম্পাসহ আশপাশের এলাকা। ওই বিমান বিধ্বস্তের পর ওই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বাঁচাতে ছোটাছুটি করেন। একপর্যায়ে অক্ষত অবস্থায় আফসান ফিরলেও নিখোঁজ ছিলেন তার মা আফসানা প্রিয়া। তার নিখোঁজের খবর পেয়ে পাগল প্রায় তার ছেলে-স্বামী। তার খোঁজে ঘুরেছেন দুর্ঘটনারস্থানসহ বিভিন্ন হাসপাতালে হাসপাতালের মর্গে। গত মঙ্গলবার আফসানার বাবা আব্বাস উদ্দিন ও মা মিনু বেগম ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে গিয়ে ডিএনএ নমুনা দিয়ে আসেন। সেখানে ডিএনএ পরীক্ষার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর ওইদিন রাত ১২টার দিকে তার লাশ গ্রামের বাড়ি মেদীআশুলাই এলাকায় পৌঁছলে এক হৃদয়বিধারক সৃষ্টি হয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে গভীর রাত সাড়ে ১২টায় মেদীআশুলাই পশ্চিমপাড়া হাফিজিয়া মাদরাসা মাঠে তার জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিহতের চাচা তাজুল ইসলাম জানান, আমার ভাতিজি আফসানার ওপরেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে তার শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এ জন্য লাশটি কার, তা বোঝা যায়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষা করে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
স্থানীয় চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, গভীর রাতে জানাযার নামাজ শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে আফসানার লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
নিহত আফসানা প্রিয়া গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর ইউনিয়নের মেদীআশুলাই এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল ওহাব মৃধার স্ত্রী ও মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী আফসানের মা।
এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় গত সোমবার দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় ওই স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী। ওই স্কুলের তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী আফসান। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালেও ছেলে আফসানকে নিয়ে স্কুলে যান তার মা আফসানা। ছেলেকে শ্রেনী কক্ষে দিয়ে প্রতিদিনের মতো ওই স্কুলের অভিভাবক কক্ষে অবস্থান করছিলেন মা আফসানা। দুপুরে হঠাৎ একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে ওই স্কুলের মাঠে পড়ে। মুহুর্তের মধ্যে বিধ্বস্ত বিমানের আগুনের লেলিহান শিখা ওই স্কুলের মাঠসহ বিভিন্ন কক্ষে আগুন লেগে যায়। এ বিমান বিধ্বস্তের দুর্ঘটনায় ওই স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত ও আহত হয়েছেন। মুহুর্তের মধ্যে ভারী হয়ে উঠে ওই স্কুলের ক্যাম্পাসহ আশপাশের এলাকা। ওই বিমান বিধ্বস্তের পর ওই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বাঁচাতে ছোটাছুটি করেন। একপর্যায়ে অক্ষত অবস্থায় আফসান ফিরলেও নিখোঁজ ছিলেন তার মা আফসানা প্রিয়া। তার নিখোঁজের খবর পেয়ে পাগল প্রায় তার ছেলে-স্বামী। তার খোঁজে ঘুরেছেন দুর্ঘটনারস্থানসহ বিভিন্ন হাসপাতালে হাসপাতালের মর্গে। গত মঙ্গলবার আফসানার বাবা আব্বাস উদ্দিন ও মা মিনু বেগম ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে গিয়ে ডিএনএ নমুনা দিয়ে আসেন। সেখানে ডিএনএ পরীক্ষার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর ওইদিন রাত ১২টার দিকে তার লাশ গ্রামের বাড়ি মেদীআশুলাই এলাকায় পৌঁছলে এক হৃদয়বিধারক সৃষ্টি হয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে গভীর রাত সাড়ে ১২টায় মেদীআশুলাই পশ্চিমপাড়া হাফিজিয়া মাদরাসা মাঠে তার জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিহতের চাচা তাজুল ইসলাম জানান, আমার ভাতিজি আফসানার ওপরেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে তার শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এ জন্য লাশটি কার, তা বোঝা যায়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষা করে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
স্থানীয় চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, গভীর রাতে জানাযার নামাজ শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে আফসানার লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব