চলতি বছর মাগুরার চারা বেশী গজান এবং অনুকুল পরিবেশের কারণে কৃষি বিভাগ এ মৌসুমে তিলের ভালো ফলন আশা করছে। চলতি মৌসুমে জেলার ৩ হাজার ৩৯৫ হেক্টরেরও বেশি জমিতে তিল চাষ করা হয়েছে।
মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার চারটি উপজেলায় মোট ৩ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে তিল চাষ করা হয়েছে এবং চলতি মৌসুমে মোট চাষকৃত জমি থেকে ৪,হাজার ৬২২ মেট্রিক টন তিল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১হাজার ,৮৯০ হেক্টর, শ্রীপুর উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর, শালিখা উপজেলায় ৫৭০ হেক্টর এবং মোহাম্মদপুর উপজেলায় ২৮৬ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল তিলের চাষ করা হয়েছে। জেলার ১,হাজার ৯০০ জন কৃষককে বিনামূল্যে বীজ এবং সার দেওয়া হয়েছে।
চলতি মৌসুমে জেলার কৃষকরা স্থানীয় উন্নত জাতের তিলের চাষ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল বিনা তিল ৩, ৪ এবং বারি তিল ৩, ৪।
সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের কৃষক কৃষ্ণ পদ বিশ্বাস জানান, কৃষি বিভাগের সহায়তায় তিনি এ বছর ৬ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি তিল ৩ জাতের তিলের চাষ করেছেন। তিনি প্রায় ২৫ মণ তিল পাওয়ার আশা করছেন।
সদর উপজেলার কাপাশাটি গ্রামের আরেক কৃষক আব্দুর রহমান জানান, তিনি এ বছর ২ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি তিল ৪ জাতের তিলের চাষ করেছেন। তিনি আশা করছেন চাষ করা জমি থেকে প্রায় ৮ মণ তিল পাবেন এবং ভালো দামে তিল বিক্রি করতে পারবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, তিল একটি তৈলবীজ ফসল। সরকার তেল ফসলের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ দিয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ৩ হাজার ,৩৯৫ হেক্টর জমিতে তিল চাষ করা হয়েছে। জেলায় ১হাজার,৯০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। কৃষি বিভাগ আশা করছে যে বিনা ও বারি কর্তৃক পরিচালিত উচ্চ ফলনশীল তিল চাষের ফলে কৃষকরা আরও ভালো দামে তিল বিক্রি করতে পারবেন এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার চারটি উপজেলায় মোট ৩ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে তিল চাষ করা হয়েছে এবং চলতি মৌসুমে মোট চাষকৃত জমি থেকে ৪,হাজার ৬২২ মেট্রিক টন তিল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১হাজার ,৮৯০ হেক্টর, শ্রীপুর উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর, শালিখা উপজেলায় ৫৭০ হেক্টর এবং মোহাম্মদপুর উপজেলায় ২৮৬ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল তিলের চাষ করা হয়েছে। জেলার ১,হাজার ৯০০ জন কৃষককে বিনামূল্যে বীজ এবং সার দেওয়া হয়েছে।
চলতি মৌসুমে জেলার কৃষকরা স্থানীয় উন্নত জাতের তিলের চাষ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল বিনা তিল ৩, ৪ এবং বারি তিল ৩, ৪।
সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের কৃষক কৃষ্ণ পদ বিশ্বাস জানান, কৃষি বিভাগের সহায়তায় তিনি এ বছর ৬ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি তিল ৩ জাতের তিলের চাষ করেছেন। তিনি প্রায় ২৫ মণ তিল পাওয়ার আশা করছেন।
সদর উপজেলার কাপাশাটি গ্রামের আরেক কৃষক আব্দুর রহমান জানান, তিনি এ বছর ২ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি তিল ৪ জাতের তিলের চাষ করেছেন। তিনি আশা করছেন চাষ করা জমি থেকে প্রায় ৮ মণ তিল পাবেন এবং ভালো দামে তিল বিক্রি করতে পারবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, তিল একটি তৈলবীজ ফসল। সরকার তেল ফসলের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ দিয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ৩ হাজার ,৩৯৫ হেক্টর জমিতে তিল চাষ করা হয়েছে। জেলায় ১হাজার,৯০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। কৃষি বিভাগ আশা করছে যে বিনা ও বারি কর্তৃক পরিচালিত উচ্চ ফলনশীল তিল চাষের ফলে কৃষকরা আরও ভালো দামে তিল বিক্রি করতে পারবেন এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব