বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
সারাবাংলা মাগুরার শহীদ রাব্বীকে বীর শ্রেষ্ঠ সম্মানে ভুষিত করতে স্মারকলিপি কিন্তু এক বছরেও হয়নি
logo

মাগুরার শহীদ রাব্বীকে বীর শ্রেষ্ঠ সম্মানে ভুষিত করতে স্মারকলিপি কিন্তু এক বছরেও হয়নি

গত জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালে কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ  মেহেদী হাসান রাব্বীকে বীরশ্রেষ্ঠ মর্যাদায় সম্মান জানানোর দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করে তার পরিবার। গত  ১ জুলাই শহীদ রাব্বীর মা সালেহা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা মাগুরা জেলা প্রশাসকের কাছে এ স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। কিন্তু এক বছর পূর্ণ হলেও মায়ের সে আকুতি পূরন হয়নি।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ মেহেদী হাসান রাব্বী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মাগুরার পারনান্দুয়ালী পুরাতন ব্রিজের সামনে ঢাকারোডে মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। পরিবারের অভিযোগ, সরকারের নির্দেশে শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা চালিয়ে  আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাসী  কর্মীরা তার গুলি করে।

রাব্বীর পরিবার জানায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে চিকিৎসা না দিয়ে উপেক্ষা করা হয়। পরে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্মারকলিপিতে শহীদের মা সালেহা বেগম, ভাই ইউনুচ আলী ও ইদ্রিস হোসেন, ভাতিজা খালিদ বিশ্বাস এবং ফুফাতো বোন নিলুফা ইয়াসমিনসহ পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, জাতির জন্য আত্মত্যাগকারী রাব্বীকে যথোপযুক্ত মর্যাদা দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করতে হোক। একইসাথে তার নামে স্মৃতিস্তম্ভ ও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের দাবিও করা হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রাব্বী ছিলেন বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামী ছাত্রনেতা। তার আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্ম প্রতিবাদ ও ন্যায়ের পথ অনুসরণে অনুপ্রাণিত হবে। 

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন