ভেনেজুয়েলার সরকার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে আবেদন করেছেভে নেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুক্তি চেয়ে। মঙ্গলবার দেওয়া এক ভাষণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল পিন্টো বলেছেন, সামরিক অভিযানে আটক হওয়া মাদুরো দম্পতিকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। তারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায়ালয়ে বিচারবিভাগের নজরদারিতে রয়েছেন এবং মাদক পাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন ও ‘যুদ্ধবন্দি’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী সামরিক অভিযান অবৈধ ছিল, যা চলাকালীন কমপক্ষে ১০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ভেনেজুয়েলা শান্তিপূর্ণভাবে কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।
ভেনেজুয়েলার সরকার দাবি করেছে, মাদুরো ও তার স্ত্রীর বন্দিত্ব এবং বিচার প্রক্রিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। দেশটি মনে করে, বিষয়টিকে কেবল আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হবে না, বরং রাষ্ট্রীয় সম্মান ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের দিক থেকেও বিবেচনা করা উচিত।
এই পদক্ষেপকে কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ভেনেজুয়েলার সরকার মুক্তি, সংলাপ ও আইনের প্রতি সম্মানকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
মাদুরোর মুক্তি চেয়ে জাতিসংঘে আবেদন করল ভেনেজুয়েলা
মাদুরোর মুক্তি চেয়ে জাতিসংঘে আবেদন করল ভেনেজুয়েলা
ভেনেজুয়েলার সরকার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে আবেদন করেছেভে নেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুক্তি চেয়ে। মঙ্গলবার দেওয়া এক ভাষণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল পিন্টো বলেছেন, সামরিক অভিযানে আটক হওয়া মাদুরো দম্পতিকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। তারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায়ালয়ে বিচারবিভাগের নজরদারিতে রয়েছেন এবং মাদক পাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় নিজেদের নির্দোষ
দাবি করেছেন ও ‘যুদ্ধবন্দি’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী সামরিক অভিযান অবৈধ ছিল, যা চলাকালীন কমপক্ষে ১০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ভেনেজুয়েলা শান্তিপূর্ণভাবে কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। ভেনেজুয়েলার সরকার দাবি করেছে, মাদুরো ও তার স্ত্রীর বন্দিত্ব এবং বিচার প্রক্রিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব
ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। দেশটি মনে করে, বিষয়টিকে কেবল আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হবে না, বরং রাষ্ট্রীয় সম্মান ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের দিক থেকেও বিবেচনা করা উচিত। এই পদক্ষেপকে কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ভেনেজুয়েলার সরকার মুক্তি, সংলাপ ও আইনের প্রতি সম্মানকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত