মাদারীপুরে মোটরসাইকেল কেনা নিয়ে তর্কের জেরে ইতালি প্রবাসী হালিম খানকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শ্যালক এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। নিহতের মরদেহ হাসপাতালে ফেলে পালানোর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
হালিম খান, যিনি মাদারীপুরের রাজৈরের ইশিবপুর ইউনিয়নের গোয়ালদি গ্রামের বাসিন্দা,২০১৮ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন পাশের দারাদিয়া গ্রামের রেশমা আক্তারের সঙ্গে। ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং এরপর হালিম ইতালিতে চলে যান। সেখানে তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জন্য লাখ লাখ টাকা পাঠান, যার একটি অংশ দিয়ে তার শ্যালক সবুজ চোকদার একটি মোটরসাইকেল কিনে।
তিন মাস আগে ছুটিতে দেশে ফিরে আসার পর হালিম মোটরসাইকেলের টাকা ফেরত চান, যা নিয়ে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, গতকাল সোমবার ২৩ জুন রাতে শ্যালক সবুজ হালিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যান এবং পরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।হালিমের মরদেহ রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় জনগণ এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। নিহতের বড় ভাই রাজ্জাক চোকদার বলেন, ‘আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাসান জানিয়েছেন, নিহতের বড় ভাই রাজ্জাক চোকদার বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে রাজৈর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মাদারীপুরে প্রবাসীর মরদেহ হাসপাতালেই ফেলে পালালেন শ্যালক উক্ত এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে
মাদারীপুরে প্রবাসীর মরদেহ হাসপাতালেই ফেলে পালালেন শ্যালক উক্ত এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে
মাদারীপুরে মোটরসাইকেল কেনা নিয়ে তর্কের জেরে ইতালি প্রবাসী হালিম খানকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শ্যালক এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। নিহতের মরদেহ হাসপাতালে ফেলে পালানোর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।হালিম খান, যিনি মাদারীপুরের রাজৈরের ইশিবপুর ইউনিয়নের গোয়ালদি গ্রামের বাসিন্দা,২০১৮ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন পাশের দারাদিয়া গ্রামের রেশমা আক্তারের সঙ্গে। ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং এরপর হালিম ইতালিতে চলে যান। সেখানে
তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জন্য লাখ লাখ টাকা পাঠান, যার একটি অংশ দিয়ে তার শ্যালক সবুজ চোকদার একটি মোটরসাইকেল কিনে।তিন মাস আগে ছুটিতে দেশে ফিরে আসার পর হালিম মোটরসাইকেলের টাকা ফেরত চান, যা নিয়ে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, গতকাল সোমবার ২৩ জুন রাতে শ্যালক সবুজ হালিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে যান এবং পরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।হালিমের মরদেহ রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ফেলে রেখে পালিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় জনগণ এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। নিহতের বড় ভাই রাজ্জাক চোকদার বলেন, ‘আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাসান জানিয়েছেন, নিহতের বড় ভাই রাজ্জাক চোকদার বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে রাজৈর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত