ইসরায়েল এটিকে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখছে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি সত্য প্রমাণিত হলে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, চলমান যুদ্ধে এ ধরনের ঘটনা হলে তা ইসরায়েলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।
যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর এটিই হতে পারে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ড।
ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ছেলেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ইসরায়েলি মূল্যায়নে বলা হচ্ছে, তিনি আহত অবস্থায় রয়েছেন এবং এ সময়ে লারিজানি কার্যত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, লারিজানিকে হত্যার ঘটনা নিশ্চিত হলে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
তবে এমন ঘটনা ঘটলেও ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির প্রশাসনিক কাঠামো একাধিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল, যা উচ্চপর্যায়ের নেতাদের মৃত্যু সত্ত্বেও কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম।
এদিকে লারিজানিকে হত্যার দাবি নিশ্চিত হলে ইসরায়েলি বাহিনী এটিকে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে উদযাপন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র:আল জাজিরা
লারিজানি হত্যাকে ‘কৌশলগত সাফল্য’ হিসেবে দেখছে ইসরায়েল
লারিজানি হত্যাকে ‘কৌশলগত সাফল্য’ হিসেবে দেখছে ইসরায়েল
ইসরায়েল এটিকে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখছে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি সত্য প্রমাণিত হলে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, চলমান যুদ্ধে এ ধরনের ঘটনা হলে তা ইসরায়েলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর এটিই হতে
পারে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ড। ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ছেলেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ইসরায়েলি মূল্যায়নে বলা হচ্ছে, তিনি আহত অবস্থায় রয়েছেন এবং এ সময়ে লারিজানি কার্যত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, লারিজানিকে হত্যার ঘটনা নিশ্চিত হলে ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
তবে এমন ঘটনা ঘটলেও ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশটির প্রশাসনিক কাঠামো একাধিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল, যা উচ্চপর্যায়ের নেতাদের মৃত্যু সত্ত্বেও কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম। এদিকে লারিজানিকে হত্যার দাবি নিশ্চিত হলে ইসরায়েলি বাহিনী এটিকে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে উদযাপন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র:আল জাজিরা
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত