নাটোরের লালপুরে প্রবীণ শিক্ষক ও সুনামধন্য আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক গোঁশাই চন্দ্র দাস পরলোক গমন করছেন। তিনি উপজেলার ঘোষপাড়াস্থ মৃত হারান চন্দ্র দাসের পুত্র। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩.০০ ঘটিকায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তিনি দির্ঘদিন লিভার জনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা, নাতী-নাতনী সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি শিশুকাল থেকেই কঠোর পরিশ্রম করে নিজ খরচে মাধ্যমিক শেষ করেন। মাধ্যমিক পাস করে তিনি ১৯৬৮ সালে উপজেলার পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে শিক্ষকতা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। দির্ঘ ৩৮ বছর সুনামের সাথে শিক্ষকতা শেষে ২০০৬ সালে ওয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ভারতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করতেন সুনামের সাথে। একই সাথে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট কীর্তন শিল্পী হিসেবে সুপরিচিত।
তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত্রি ৮.০০ ঘটিকায় ওয়ালিয়া মহাশ্মশানে তাকে সমাধিস্থ করা হয়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তিনি দির্ঘদিন লিভার জনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা, নাতী-নাতনী সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি শিশুকাল থেকেই কঠোর পরিশ্রম করে নিজ খরচে মাধ্যমিক শেষ করেন। মাধ্যমিক পাস করে তিনি ১৯৬৮ সালে উপজেলার পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে শিক্ষকতা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। দির্ঘ ৩৮ বছর সুনামের সাথে শিক্ষকতা শেষে ২০০৬ সালে ওয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ভারতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করতেন সুনামের সাথে। একই সাথে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট কীর্তন শিল্পী হিসেবে সুপরিচিত।
তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত্রি ৮.০০ ঘটিকায় ওয়ালিয়া মহাশ্মশানে তাকে সমাধিস্থ করা হয়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব