কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার রামদাস ধনিরাম গ্রামে বসবাস কোহিনূর বেগম লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত। দীর্ঘ প্রায় এক বছরের চিকিৎসায় সর্বশ্রান্ত পিতা কফিল উদ্দিন। কফিল উদ্দিন নিজের দুটি কিডনি নিয়ে প্রায় আট দশ বছর থেকে চিকিৎসা নিয়ে বেঁচে আছে। নিজের চিকিৎসা করাতেই সর্বস্বান্ত কফিল।
এর উপর মরার উপর খরার ঘা হয়ে তার ঘাড়ের উপর এসে বসেছে বড় মেয়ে কহিনুর (৪৩)। নিঃসন্তান কোহিনূরের বিয়ে হয়েছিল প্রায় ৩০ বছর আগে প্রতিবেশী গ্রাম সরকার পাড়ার আইনুল হকের সাথে। স্বামী আইনুল বিয়ের পর থেকেই মানসিক রোগী হয়ে আছে। তাকে মাঝে মাঝে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হয় বলে জানায় কহিনুর। তাই বাধ্য হয়ে কোহিনুর জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অনেকদিন একটি গার্মেন্টস এ চাকরি করতো।
অসুস্থ হয়ে গত ২০২৪ এর নভেম্বরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হলে জানতে পায় তার লিভার ক্যান্সার হয়েছে। উপায়ান্তর না পেয়ে বাবা কফিল উদ্দিনের শেষ সম্বল ১০ শতক বাড়ি ভিটা বন্ধক রেখেই কোহিনূরের চিকিৎসা করিয়েছেন। এখন আর অর্থের অভাবে নিজের চিকিৎসাও করাতে পারছে না এর উপর বড় মেয়ে কহিনুরেরও চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে। ইতোমধ্যে রংপুর মেডিকেলের ডাক্তার এরশাদুল হকের কাছে ৮ বার থেরাপি
নিয়েছে কহিনূর। একবার থেরাপি নিলেই পঞ্চাশ হাজার টাকা লাগে। ডাক্তার বলেছে, চার পাঁচ লাখ টাকা খরচ করলেই কোহিনূর সুস্থ হয়ে যাবে।
এমতাবস্থায় বাবা কফিল উদ্দিন ও কোহিনুর বিত্তবানদের সাহায্যের আশায় সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়েছেন। কোহিনুর জানায়, আমি বাঁচতে চাই। সমাজে অনেক বিত্তবান আছে তাদের সাহায্য নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আমাকে কি বাঁচানো যায় না? কহিনুরকে
সাহায়্য করতে চাইলে সোনালী ব্যাংক, উলিপুর শাখায় একাউন্ট নং
৫২১৭৫০১০৪৭৪৯০, অথবা কহিনুরের বিকাশ নং- ০১৮১৫৮৮৮৮৬৯।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এর উপর মরার উপর খরার ঘা হয়ে তার ঘাড়ের উপর এসে বসেছে বড় মেয়ে কহিনুর (৪৩)। নিঃসন্তান কোহিনূরের বিয়ে হয়েছিল প্রায় ৩০ বছর আগে প্রতিবেশী গ্রাম সরকার পাড়ার আইনুল হকের সাথে। স্বামী আইনুল বিয়ের পর থেকেই মানসিক রোগী হয়ে আছে। তাকে মাঝে মাঝে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হয় বলে জানায় কহিনুর। তাই বাধ্য হয়ে কোহিনুর জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অনেকদিন একটি গার্মেন্টস এ চাকরি করতো।
অসুস্থ হয়ে গত ২০২৪ এর নভেম্বরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হলে জানতে পায় তার লিভার ক্যান্সার হয়েছে। উপায়ান্তর না পেয়ে বাবা কফিল উদ্দিনের শেষ সম্বল ১০ শতক বাড়ি ভিটা বন্ধক রেখেই কোহিনূরের চিকিৎসা করিয়েছেন। এখন আর অর্থের অভাবে নিজের চিকিৎসাও করাতে পারছে না এর উপর বড় মেয়ে কহিনুরেরও চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে। ইতোমধ্যে রংপুর মেডিকেলের ডাক্তার এরশাদুল হকের কাছে ৮ বার থেরাপি
নিয়েছে কহিনূর। একবার থেরাপি নিলেই পঞ্চাশ হাজার টাকা লাগে। ডাক্তার বলেছে, চার পাঁচ লাখ টাকা খরচ করলেই কোহিনূর সুস্থ হয়ে যাবে।
এমতাবস্থায় বাবা কফিল উদ্দিন ও কোহিনুর বিত্তবানদের সাহায্যের আশায় সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়েছেন। কোহিনুর জানায়, আমি বাঁচতে চাই। সমাজে অনেক বিত্তবান আছে তাদের সাহায্য নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আমাকে কি বাঁচানো যায় না? কহিনুরকে
সাহায়্য করতে চাইলে সোনালী ব্যাংক, উলিপুর শাখায় একাউন্ট নং
৫২১৭৫০১০৪৭৪৯০, অথবা কহিনুরের বিকাশ নং- ০১৮১৫৮৮৮৮৬৯।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব