রৌমারী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওসি এলএসডি শহিদুল্লাহ এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ দায়ের করে একটি স্বার্থন্বেষী মহল। তারই অভিযোদের আলোকে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার খাদ্য গোডাউন পরিদর্শনে যায়।
স্বার্থন্বেষী মহলের অভিযোগে উল্লোখ্য করা হয়েছে খাদ্য কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ডিলারদের খাওয়ার অনুপযোগী চাল দেওয়া হয়েছে। খাওয়া অনুপযোগী চাল দিচ্ছে খাদ্য গোডাউনের কর্মকর্তা, এই অবাঞ্চিত খবরকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়েই এক চাঞ্চাল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তারই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা কর্মকর্তা সরসারি খাদ্য গোডাউনে প্রবেশ করে তদন্ত শুরু করেন। এসময় উপজেলার অনেক সাংবাদিকবৃন্ধরা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথেই ছিলেন।
গোডাউনে রাখা যেসব বস্তায় সরকারি চাল রয়েছে সেখানে কোনপ্রকার খাওয়ার অনুপগোগী পচা চালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এবং অভিযোগকারিদের অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে গন্য হয়েছে। কারন একটিও পচা চালের বস্তা খোজে পাওয়া না গেলেও খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কিন্ত ভিত্তিহীণ অভিযোগ ঠিকই করেছে স্বার্থন্বেষী মহল। এছাড়াও উপজেলার খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির বিভিন্ন ডিলারদের গোডাউন পরিদর্শন করেন যাতে কোনপ্রকার গ্রাহকদের পচা চাল বিতরণ না হয় সেদিকে সোচ্চার রয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
খাদ্য কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ বলেন আমি সরকারের চাকুরী করি সরকারের নিয়মকানুন মেনেই আমাকে চলতে হয় তার বাইরে আমি যাইনা। এবিষয় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন আমি বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে খাদ্যবান্ধাব কর্মসুচির ডিলাররা খাওয়ার অনুপযোগী চাল দিচ্ছেন। এমন খবরে বসে থাকা যায়না ফলে অভিযোগের বিষয় গুলো সত্য মিত্যা যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
স্বার্থন্বেষী মহলের অভিযোগে উল্লোখ্য করা হয়েছে খাদ্য কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ডিলারদের খাওয়ার অনুপযোগী চাল দেওয়া হয়েছে। খাওয়া অনুপযোগী চাল দিচ্ছে খাদ্য গোডাউনের কর্মকর্তা, এই অবাঞ্চিত খবরকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়েই এক চাঞ্চাল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তারই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা কর্মকর্তা সরসারি খাদ্য গোডাউনে প্রবেশ করে তদন্ত শুরু করেন। এসময় উপজেলার অনেক সাংবাদিকবৃন্ধরা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথেই ছিলেন।
গোডাউনে রাখা যেসব বস্তায় সরকারি চাল রয়েছে সেখানে কোনপ্রকার খাওয়ার অনুপগোগী পচা চালের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এবং অভিযোগকারিদের অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে গন্য হয়েছে। কারন একটিও পচা চালের বস্তা খোজে পাওয়া না গেলেও খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কিন্ত ভিত্তিহীণ অভিযোগ ঠিকই করেছে স্বার্থন্বেষী মহল। এছাড়াও উপজেলার খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির বিভিন্ন ডিলারদের গোডাউন পরিদর্শন করেন যাতে কোনপ্রকার গ্রাহকদের পচা চাল বিতরণ না হয় সেদিকে সোচ্চার রয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
খাদ্য কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ বলেন আমি সরকারের চাকুরী করি সরকারের নিয়মকানুন মেনেই আমাকে চলতে হয় তার বাইরে আমি যাইনা। এবিষয় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন আমি বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে খাদ্যবান্ধাব কর্মসুচির ডিলাররা খাওয়ার অনুপযোগী চাল দিচ্ছেন। এমন খবরে বসে থাকা যায়না ফলে অভিযোগের বিষয় গুলো সত্য মিত্যা যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব