বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
সারাবাংলা কুড়িগ্রামের রৌমারী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভেকু ও ড্রেজার মালিককে জরিমানা
logo

কুড়িগ্রামের রৌমারী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ভেকু ও ড্রেজার মালিককে জরিমানা

অবৈধ ভেকু ও ড্রেজারের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলাধীন যাদুরচর ইউনিয়নের চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা জিঞ্জিরাম নদীতে।  মোবাইল কোর্টে মাধ্যমে একটি ভেকু ও একটি ড্রেজার মালিককে অর্থদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সন্ধা ৭টার দিকে  রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জল কুমার হালদার এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সুত্র ধরে জানা গেছে  চর লাঠিয়ালডাঙ্গা জিঞ্জিরাম নদী থেকে অবৈধভাবে ভেকু ও ড্রেজার দ্বারা মাটি উত্তোলনের সময়  তাদের আটক করা হয়েছে ।

এ সময় রাজিবপুর উপজেলার শিবেরডাঙ্গি গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে ভেকু মালিক আব্দুস ছত্তারকে ৫০ হাজার টাকা এবং ড্রেজার মালিক রাজিবপুর টাঙ্গাইলা পাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে এমদাদুল হককেও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে গত ২৩ শে জুলাই রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গারিগড় পাড়ার বদিউজ্জামান এর পুত্র ভেকু মালিক মিজানুর রহমান {৩৫ } কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিনাশ্রম {১বছরের জেল} ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। 

রৌমারীর বিভিন্ন ইউনিয়নেআনাচে কাচে  দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু চক্র অবৈধ ভেকু, কাকড়া ও ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে খালবিল ও ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে পরিবেশ ও কৃষি জমির মারাত্মক ক্ষতি করে আসছে। এ নিয়ে রৌমারী উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রতিকারের জোরালো প্রতিবাদ ওঠে।

ইতোপূর্বেও একাধিকবার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা ও জেল প্রদান করা হলেও দুষ্কৃতিকারীরা বারবার একই কর্মকান্ড  চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এবার ইউএনও’র কঠোর পদক্ষেপে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয়দের অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলার সাহুস না পেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাহুসী ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। নীরব কৃষক সমাজ মনে করছেন, প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে ফসলি জমি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব ।

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন