মাসুম খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌর এলাকায় ১নং ওয়ার্ডে বিকনা ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশ গেইট ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ বাদশা মীরবহরের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ১৯মে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জমির মালিক মো. প্রিন্স খান ও নুরজাহান খানম গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রিন্স খান ও নুরজাহান খানম দম্পতি ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পূর্ব চাদকাঠি এলাকার ইয়াকুব আলী খানের মেয়ে মোসাম্মৎ নাছিমা বেগমের কাছ থেকে ঝালকাঠি পৌর এলাকার জরিপ অনুযায়ী জে এল নং-১০৭, বিকনা মৌজার ১৮৪৯ নং খতিয়ানের বিএস ৯৪৩ নং দাগের তিন শতাংশ জমি সাব-কবলা দলিল মূলে ক্রয় করেন।
জমিটির চৌহদ্দির উত্তরে হোসেন মাঝি, দক্ষিণে দুলাল হাওলাদার, পূর্বে হারুন অর রশিদ এবং পশ্চিমে আবুল বাশার রয়েছেন বলে জানান তারা।
ভুক্তভোগীরা বলেন, জমি ক্রয়ের পর তারা নিয়ম অনুযায়ী নামজারি ও জমাখারিজ সম্পন্ন করে জমির দখল বুঝে নেন এবং সেখানে পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন।
প্রিন্স খান ও নুরজাহান খানম অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিপক্ষ বাদশা মীরবহর লোকজন নিয়ে এসে জমির সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশ গেইট ভেঙে ফেলেন। তবে এ জমি নিয়ে আদালতের কোনো আদেশ, নিষেধাজ্ঞা বা মামলা রয়েছে কিনা সে বিষয়ে তারা অবগত নন। এছাড়া আদালত থেকে তারা কোনো ধরনের নোটিশও পাননি বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাদশা মীরবহরের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠোফোনে বৃহস্পতিবার বিকেলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙার অভিযোগ
ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙার অভিযোগ
মাসুম খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌর এলাকায় ১নং ওয়ার্ডে বিকনা ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশ গেইট ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ বাদশা মীরবহরের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ১৯মে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জমির মালিক মো. প্রিন্স খান ও নুরজাহান খানম গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রিন্স খান ও নুরজাহান খানম দম্পতি ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পূর্ব চাদকাঠি এলাকার ইয়াকুব আলী খানের মেয়ে মোসাম্মৎ নাছিমা বেগমের কাছ থেকে ঝালকাঠি পৌর এলাকার জরিপ অনুযায়ী জে এল
নং-১০৭, বিকনা মৌজার ১৮৪৯ নং খতিয়ানের বিএস ৯৪৩ নং দাগের তিন শতাংশ জমি সাব-কবলা দলিল মূলে ক্রয় করেন। জমিটির চৌহদ্দির উত্তরে হোসেন মাঝি, দক্ষিণে দুলাল হাওলাদার, পূর্বে হারুন অর রশিদ এবং পশ্চিমে আবুল বাশার রয়েছেন বলে জানান তারা। ভুক্তভোগীরা বলেন, জমি ক্রয়ের পর তারা নিয়ম অনুযায়ী নামজারি ও জমাখারিজ সম্পন্ন করে জমির দখল বুঝে নেন এবং সেখানে পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন। প্রিন্স খান ও নুরজাহান খানম অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি তাদের অনুপস্থিতির
সুযোগে প্রতিপক্ষ বাদশা মীরবহর লোকজন নিয়ে এসে জমির সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশ গেইট ভেঙে ফেলেন। তবে এ জমি নিয়ে আদালতের কোনো আদেশ, নিষেধাজ্ঞা বা মামলা রয়েছে কিনা সে বিষয়ে তারা অবগত নন। এছাড়া আদালত থেকে তারা কোনো ধরনের নোটিশও পাননি বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাদশা মীরবহরের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠোফোনে বৃহস্পতিবার বিকেলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত