পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরে। এসময় দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা।
করাচি কনস্যুলেটের সামনে এমনই বিক্ষোভ দমাতে মার্কিন মেরিন সেনারাও গুলি চালিয়েছিল বলে দাবি করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন দূতাবাসের দুজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার খবরের পর বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের বাইরের দেয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্তত ১০ জন নিহত হন।
ওই দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, মেরিনদের ছোড়া গুলিতেই কেউ হতাহত হয়েছে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। এছাড়া মিশনের সুরক্ষায় নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী বা স্থানীয় পুলিশও গুলি চালিয়েছিল কি না, সে সম্পর্কে তারা নিশ্চিত করতে পারেননি।
তবে এই প্রথম মার্কিন কর্মকর্তারা বিক্ষোভকারীদের ওপর মেরিনদের গুলি চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করলেন।
সিন্ধু প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র সুখদেব আসরদাস হেমদানি জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা’ কর্মীরা গুলি চালিয়েছেন, তবে তারা কোন বাহিনীর সদস্য তা তিনি উল্লেখ করেননি। সাধারণত মার্কিন মিশনগুলোর দৈনন্দিন নিরাপত্তা বেসরকারি ঠিকাদার এবং স্থানীয় বাহিনী রক্ষা করে। এই ঘটনায় সরাসরি মেরিনদের জড়িয়ে পড়া থেকে বোঝা যায়, কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষ এই হুমকিকে কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিল।
সোমবার পাকিস্তান সরকার দেশজুড়ে সব ধরনের জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ইরান বিরোধী হামলার প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে দেশজুড়ে এ পর্যন্ত ২৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বর্তমানে করাচি, লাহোর এবং ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোর চারপাশের রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা লাহোর ও করাচিতে আরও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।
করাচিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর মার্কিন দূতাবাসের সেনারাও গুলি চালিয়েছিল
করাচিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর মার্কিন দূতাবাসের সেনারাও গুলি চালিয়েছিল
পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরে। এসময় দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলার চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীরা। করাচি কনস্যুলেটের সামনে এমনই বিক্ষোভ দমাতে মার্কিন মেরিন সেনারাও গুলি চালিয়েছিল বলে দাবি করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন দূতাবাসের দুজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, গত রোববার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হওয়ার খবরের পর বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের বাইরের দেয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্তত ১০ জন নিহত হন।
ওই দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, মেরিনদের ছোড়া গুলিতেই কেউ হতাহত হয়েছে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। এছাড়া মিশনের সুরক্ষায় নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী বা স্থানীয় পুলিশও গুলি চালিয়েছিল কি না, সে সম্পর্কে তারা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে এই প্রথম মার্কিন কর্মকর্তারা বিক্ষোভকারীদের ওপর মেরিনদের গুলি চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করলেন। সিন্ধু প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র সুখদেব আসরদাস হেমদানি জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা’ কর্মীরা গুলি চালিয়েছেন, তবে তারা কোন বাহিনীর সদস্য তা তিনি উল্লেখ করেননি। সাধারণত মার্কিন মিশনগুলোর দৈনন্দিন নিরাপত্তা বেসরকারি ঠিকাদার এবং স্থানীয়
বাহিনী রক্ষা করে। এই ঘটনায় সরাসরি মেরিনদের জড়িয়ে পড়া থেকে বোঝা যায়, কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষ এই হুমকিকে কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিল। সোমবার পাকিস্তান সরকার দেশজুড়ে সব ধরনের জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ইরান বিরোধী হামলার প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে দেশজুড়ে এ পর্যন্ত ২৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে করাচি, লাহোর এবং ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোর চারপাশের রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা লাহোর ও করাচিতে আরও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত