লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা অ্যাকাউন্টস অফিসে সকাল ১০টা ৪০ মিনিট বেজে গেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাউকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের মূল কক্ষ তালাবদ্ধ। সেবা নিতে আসা কয়েকজন সেবাগ্রহীতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সকাল থেকে অপেক্ষা করেও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর দেখা মেলেনি।
বিষয়টি জানতে অডিটর জনাব ইকবাল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ছুটি নিয়েছি রাত্রে । বাড়ি যাব, রবিবারে অফিসে আসব।”
তবে অফিসের পিয়নের কাছে অডিটরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ভিন্ন কথা বলেন। পিয়ন জানান, “স্যার কোয়ার্টারে আছেন, আসবেন অফিসে।”
এদিকে অডিটর ইকবাল হোসেনের ছুটির দরখাস্তের একটি কপি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। সেখানে ২১/০৪/২৫ তারিখে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার বরাবর “নৈমিত্তিক ছুটির জন্য আবেদন” করা হয়েছে। পারিবারিক কাজে ২৩/০৪/২৫ তারিখের জন্য ছুটি চাওয়া হলেও দরখাস্তটিতে কোনো অনুমোদনের স্বাক্ষর নেই।
পরবর্তীতে উপজেলা অ্যাকাউন্টস অফিসারের কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। দৈনিক খবর প্রতিদিন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার সাথে সাথেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি আর রিসিভ করেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, “আমরা সকাল থেকে বসে আছি। পেনশন, বেতন-ভাতার কাজে এসে দেখি অফিসে কেউ নাই। সরকারি অফিসের এই অবস্থা হলে আমরা যাব কোথায়?”
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, অনুমোদন ছাড়া ছুটি নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং কর্মঘণ্টায় অফিস ফাঁকা রাখা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এতে সরকারি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
কমলনগর উপজেলা অ্যাকাউন্টস অফিসে সকাল ১০:৪০-এও তালা, সেবাবঞ্চিত হয়ে ফিরছেন সেবাগ্রহীতারা
কমলনগর উপজেলা অ্যাকাউন্টস অফিসে সকাল ১০:৪০-এও তালা, সেবাবঞ্চিত হয়ে ফিরছেন সেবাগ্রহীতারা
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা অ্যাকাউন্টস অফিসে সকাল ১০টা ৪০ মিনিট বেজে গেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাউকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের মূল কক্ষ তালাবদ্ধ। সেবা নিতে আসা কয়েকজন সেবাগ্রহীতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সকাল থেকে অপেক্ষা করেও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর দেখা মেলেনি। বিষয়টি জানতে অডিটর জনাব ইকবাল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ছুটি নিয়েছি রাত্রে । বাড়ি যাব, রবিবারে অফিসে আসব।” তবে অফিসের
পিয়নের কাছে অডিটরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ভিন্ন কথা বলেন। পিয়ন জানান, “স্যার কোয়ার্টারে আছেন, আসবেন অফিসে।” এদিকে অডিটর ইকবাল হোসেনের ছুটির দরখাস্তের একটি কপি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। সেখানে ২১/০৪/২৫ তারিখে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার বরাবর “নৈমিত্তিক ছুটির জন্য আবেদন” করা হয়েছে। পারিবারিক কাজে ২৩/০৪/২৫ তারিখের জন্য ছুটি চাওয়া হলেও দরখাস্তটিতে কোনো অনুমোদনের স্বাক্ষর নেই। পরবর্তীতে উপজেলা অ্যাকাউন্টস অফিসারের কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। দৈনিক খবর প্রতিদিন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার সাথে সাথেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার
ফোন দিলেও তিনি আর রিসিভ করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, “আমরা সকাল থেকে বসে আছি। পেনশন, বেতন-ভাতার কাজে এসে দেখি অফিসে কেউ নাই। সরকারি অফিসের এই অবস্থা হলে আমরা যাব কোথায়?” স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, অনুমোদন ছাড়া ছুটি নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং কর্মঘণ্টায় অফিস ফাঁকা রাখা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এতে সরকারি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত