শনিবার (১২ এপ্রিল) ৪ মাস ১৮ দিন পর ১৩টি দানবাক্স খুলে ৩২ বস্তা টাকা কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে দানবাক্সে পাওয়া গেছে ।
গণনা করা হয় ১২ কোটি ৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা ও বিপুল পরিমান স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা। এছাড়া অনলাইনে গত ২ মাসে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা পড়েছে। টানা ১৪ ঘন্টাব্যাপী ৪ শতাধিক লোকের ৩২ বস্তা টাকা গণনা শেষে করে।
গণনা করা হয় ১২ কোটি ৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা ও বিপুল পরিমান স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা। এছাড়া অনলাইনে গত ২ মাসে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা জমা পড়েছে। টানা ১৪ ঘন্টাব্যাপী ৪ শতাধিক লোকের ৩২ বস্তা টাকা গণনা শেষে করে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমদে শনিবার রাত সোয়া ৮ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শনিবার সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও এসময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর দানবাক্স খোলা হলে পাওয়া যায় ৯ কোটি ১৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিলো। এ নিয়ে পাগলা মসজিদ তহবিলে সর্বমোট টাকার পরিমান দাঁড়িয়েছে শুধু দান সিন্ধুক থেকে ১০৩ কোটি ১৩ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৩০ টাকা জমা হয়েছে। অনলাইনসহ যার পরিমান ১০৩ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৩০ টাকা।
উল্লখ্য মসজিদের দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়।
মসজিদটিকে এবার আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। যার নামকরণ হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৬০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
শনিবার সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও এসময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর দানবাক্স খোলা হলে পাওয়া যায় ৯ কোটি ১৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিলো। এ নিয়ে পাগলা মসজিদ তহবিলে সর্বমোট টাকার পরিমান দাঁড়িয়েছে শুধু দান সিন্ধুক থেকে ১০৩ কোটি ১৩ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৩০ টাকা জমা হয়েছে। অনলাইনসহ যার পরিমান ১০৩ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৩০ টাকা।
উল্লখ্য মসজিদের দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়।
মসজিদটিকে এবার আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। যার নামকরণ হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৬০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব