খুলনা মহানগরীর অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণে এবার কোমর বেঁধে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় র্যাব-৬ একটি ‘আনবায়াসড’ বা নিরপেক্ষ তালিকা তৈরি করেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অপরাধীদের তালিকা করা হলেও মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান কোনো অভিযান না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান:
পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিটের তথ্যানুযায়ী, মহানগরীর অপরাধচিত্র বেশ উদ্বেগজনক:
বস্তিতে শুটার: নগরীর ৩০২টি বস্তির প্রতিটিতে অন্তত ২ জন করে প্রশিক্ষিত শুটার রয়েছে।
নারী মাদক বিক্রেতা: এসব বস্তিতে গড়ে ৪ জন করে অত্যন্ত ভয়ংকর নারী মাদক কারবারি সক্রিয়।
চাঁদাবাজি: নগরীর বিভিন্ন সেক্টরে তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বাড়লেও শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এখনো অধরা।
অভিযান নিয়ে নাগরিক সমাজের অসন্তোষ গত ঈদুল ফিতরের পর যৌথ অভিযান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় সাফল্য দেখা যায়নি।
এ নিয়ে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব বাবুল হাওলাদার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন খুলনায় অপরাধ দমনে দৃশ্যমান কোনো অভিযান আমরা দেখছি না। শুধু তালিকা করে খুলনার মানুষের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করা হচ্ছে।"
র্যাব-৬-এর অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
নতুন তালিকা প্রসঙ্গে র্যাব-৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। অভিযানের বিষয়ে তাঁর প্রধান বক্তব্যগুলো হলো:রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত: তালিকায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা থাকলেও তাঁদের ছাড় দেওয়া হবে না; সরাসরি আইনের আওতায় আনা হবে।শ্রেণিবিভাগ: প্রাথমিকভাবে চাঁদাবাজদের তালিকা করা হয়েছে, তবে এখনই আলাদা কোনো ক্যাটাগরি বা শ্রেণিবিভাগ করা হয়নি।সবুজ সংকেতের অপেক্ষা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়ামাত্রই তালিকা অনুযায়ী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে।
সারসংক্ষেপ: তালিকার কাজ শেষ হলেও খুলনাবাসী এখন তাকিয়ে আছে বাস্তব প্রয়োগের দিকে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুতই এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনায় অপরাধীদের নতুন তালিকা: দমনে ‘দৃশ্যমান’ পদক্ষেপ নিয়ে নাগরিক ক্ষোভ
খুলনায় অপরাধীদের নতুন তালিকা: দমনে ‘দৃশ্যমান’ পদক্ষেপ নিয়ে নাগরিক ক্ষোভ
খুলনা মহানগরীর অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণে এবার কোমর বেঁধে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় র্যাব-৬ একটি ‘আনবায়াসড’ বা নিরপেক্ষ তালিকা তৈরি করেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অপরাধীদের তালিকা করা হলেও মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান কোনো অভিযান না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান: পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিটের তথ্যানুযায়ী, মহানগরীর অপরাধচিত্র বেশ উদ্বেগজনক:বস্তিতে শুটার: নগরীর ৩০২টি বস্তির প্রতিটিতে অন্তত ২ জন করে প্রশিক্ষিত শুটার রয়েছে।নারী মাদক বিক্রেতা: এসব বস্তিতে গড়ে ৪ জন করে অত্যন্ত ভয়ংকর নারী মাদক কারবারি সক্রিয়।চাঁদাবাজি:
নগরীর বিভিন্ন সেক্টরে তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বাড়লেও শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এখনো অধরা।অভিযান নিয়ে নাগরিক সমাজের অসন্তোষ গত ঈদুল ফিতরের পর যৌথ অভিযান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় সাফল্য দেখা যায়নি। এ নিয়ে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব বাবুল হাওলাদার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন খুলনায় অপরাধ দমনে দৃশ্যমান কোনো অভিযান আমরা দেখছি না। শুধু তালিকা করে খুলনার মানুষের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করা হচ্ছে।" র্যাব-৬-এর অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: নতুন তালিকা প্রসঙ্গে র্যাব-৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়ে তাঁর প্রধান বক্তব্যগুলো হলো:রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত: তালিকায় কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা থাকলেও তাঁদের ছাড় দেওয়া হবে না; সরাসরি আইনের আওতায় আনা হবে।শ্রেণিবিভাগ: প্রাথমিকভাবে চাঁদাবাজদের তালিকা করা হয়েছে, তবে এখনই আলাদা কোনো ক্যাটাগরি বা শ্রেণিবিভাগ করা হয়নি।সবুজ সংকেতের অপেক্ষা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়ামাত্রই তালিকা অনুযায়ী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে। সারসংক্ষেপ: তালিকার কাজ শেষ হলেও খুলনাবাসী এখন তাকিয়ে আছে বাস্তব প্রয়োগের দিকে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুতই এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত