খুলনায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।
সভায় ঈদ জামাত, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনভোগান্তি দূরীকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঈদ জামাতের সময়সূচি ও স্থান
প্রধান জামাত: সকাল ৭:০০ টায়, সার্কিট হাউস ময়দানে। (আবহাওয়া প্রতিকূল হলে একই সময়ে টাউন জামে মসজিদে)। দ্বিতীয় জামাত: সকাল ৮:০০ টায়, টাউন জামে মসজিদে। তৃতীয় ও শেষ জামাত: সকাল ৯:০০ টায়, টাউন জামে মসজিদে।
ওয়ার্ডভিত্তিক জামাত: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক জামাতের ব্যবস্থা থাকবে।
নারীদের জন্য ব্যবস্থা: সার্কিট হাউস ময়দান ও টাউন জামে মসজিদে নারীদের জন্য পর্দা বজায় রেখে পৃথক জামাতের ব্যবস্থা থাকবে।
সড়ক ও নৌপথে বিশেষ কড়াকড়ি ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ও যানজট এড়াতে সড়ক ও নৌপথে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে:
মহাসড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ: ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত।নৌপথে বালুবাহী নৌযান বন্ধ: ২৭ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত।নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক ও নৌপথে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হবে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ
জাতীয় পতাকা উত্তোলন: ঈদের দিন সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সঠিক রং ও মাপের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। প্রধান সড়ক ও দ্বীপগুলো ঈদ মোবারক খচিত পতাকায় সাজানো হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ: ঈদের নামাজ নির্বিঘ্ন করতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উন্নতমানের খাবার: হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুসদন ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ঈদের দিন বিশেষ ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
বিশেষ ক্রোড়পত্র: স্থানীয় পত্রিকাগুলো ঈদ উপলক্ষ্যে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।
সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত বলেন, "ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ বজায় রেখে ঈদ উদযাপন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। গত বছরের মতো এবারও যেন উৎসব আনন্দময় হয়, সে জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" ঈদের আনন্দ উপভোগের সময় সড়কে যেন কোনো যানজট বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান।
উক্ত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় মসজিদের ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৭টায় সার্কিট হাউস ময়দানে
খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৭টায় সার্কিট হাউস ময়দানে
খুলনায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। সভায় ঈদ জামাত, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনভোগান্তি দূরীকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঈদ জামাতের সময়সূচি ও স্থানপ্রধান জামাত: সকাল ৭:০০ টায়, সার্কিট হাউস ময়দানে। (আবহাওয়া প্রতিকূল হলে একই সময়ে টাউন জামে মসজিদে)। দ্বিতীয় জামাত: সকাল ৮:০০ টায়, টাউন জামে মসজিদে। তৃতীয় ও শেষ জামাত: সকাল ৯:০০ টায়, টাউন জামে মসজিদে।ওয়ার্ডভিত্তিক জামাত: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক জামাতের ব্যবস্থা থাকবে। নারীদের জন্য ব্যবস্থা: সার্কিট হাউস ময়দান ও টাউন জামে মসজিদে নারীদের জন্য পর্দা
বজায় রেখে পৃথক জামাতের ব্যবস্থা থাকবে। সড়ক ও নৌপথে বিশেষ কড়াকড়ি ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ও যানজট এড়াতে সড়ক ও নৌপথে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে:মহাসড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ: ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত।নৌপথে বালুবাহী নৌযান বন্ধ: ২৭ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত।নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক ও নৌপথে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হবে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহজাতীয় পতাকা উত্তোলন: ঈদের দিন সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সঠিক রং ও মাপের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। প্রধান সড়ক ও দ্বীপগুলো ঈদ মোবারক খচিত পতাকায় সাজানো হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ: ঈদের নামাজ নির্বিঘ্ন করতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উন্নতমানের খাবার: হাসপাতাল, কারাগার,
এতিমখানা, শিশুসদন ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ঈদের দিন বিশেষ ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।বিশেষ ক্রোড়পত্র: স্থানীয় পত্রিকাগুলো ঈদ উপলক্ষ্যে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত বলেন, "ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ বজায় রেখে ঈদ উদযাপন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। গত বছরের মতো এবারও যেন উৎসব আনন্দময় হয়, সে জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" ঈদের আনন্দ উপভোগের সময় সড়কে যেন কোনো যানজট বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান।উক্ত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় মসজিদের ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত