খুলনা নগরীতে প্রতিদিন ১০০০থেকে ১২০০ টন বর্জ্য তৈরি হয়.যার মধ্যে প্রায় ৮০০ টন বর্জ্য নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টের এসটিএস হতে ৪০টি ট্রাকে বর্জ্য নিয়ে দুই দফায় নগরীর রাজবাধ ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যায় কেসিসি।
আসা যাওয়া করতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। এর সাথে বেশ কিছু লোডার, পে-লোডার লং ধুম, স্কেভেটরসহ ২৫টির বেশি যন্ত্র ব্যবহার হয়। বর্তমান মশার প্রজনন মৌসুম চালায়, প্রতিদিন শহরের ৩১ টি ওয়ার্ডে ৩১ ফগার মেশিনের সাহায্যে মশক নিধন কাজ চলে।
এ ছাড়াও কিছু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ৩টি করে ফগার মেশিন চলে সেখানে ও ৩ থেকে ৫ লিটার ডিজেল লাগে। যা নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব পেট্রোল পাম্প. সেখান থেকে কেসিসির সকল গাড়ি ও যন্ত্র চালিত মেশিন চালনোর জন্য এই পাম্প হতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হলেও।
গত কয়েকদিন কেসিসি বিপিসির স্থানীয় ডিপো হতে জ্বালানি তেল উত্তোলন/ক্রয় বন্ধ থাকায় পুরো শহর বর্জ্যরে জটে পরিণত হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কার সার্থে জ্বালানি তেল ক্রয় বন্ধ রেখে বর্জ্য পরিবহন বাধাগ্রস্থ হলো।
তা সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভাপতি ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডাঃ আঃ সালাম, মোঃ জামাল মোড়ল।
মোঃ সিরাজ উদ্দিন সেন্টু. এড. কাজী আমিনুল ইসলাম মিঠু, মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, জিএম মহিউদ্দিন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, সাধারষ সম্পাদক এসএম মাহাবুবুর রহমান খোকন. যুগ্ম-সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আলী, মোঃ কামরুল ইসলাম ভুট্টো. কাওসারী জাহান মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাকিল আহমেদ রাজা, আঃ রাজ্জাক।
মোঃ জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু. তালুকদার মোঃ হেলালুজ্জামান খন্দকার তৈয়েবুল ইসলাম টিম, মোঃ খায়রুল আলম, মোঃ সবুজুল ইসলাম, লিটন মিত্র, মোঃ মনিরুজ্জামান মিলন. সৈয়দ বদিউজ্জামান. মোঃ মামুন অর রশিদ, মোঃ রেজওয়ান হোসেন, মোঃ মেজবাহ উদ্দিন পাপ্পু, মোঃ আবু বক্কার মোঃ আজমল হোসেনসহ প্রমুখ।
খুলনার কেসিসি বিপিসির স্থানীয় ডিপোতে জ্বালানি তেল উত্তোলন বন্ধ, শহর বর্জ্য জটে পরিণত
খুলনার কেসিসি বিপিসির স্থানীয় ডিপোতে জ্বালানি তেল উত্তোলন বন্ধ, শহর বর্জ্য জটে পরিণত
খুলনা নগরীতে প্রতিদিন ১০০০থেকে ১২০০ টন বর্জ্য তৈরি হয়.যার মধ্যে প্রায় ৮০০ টন বর্জ্য নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টের এসটিএস হতে ৪০টি ট্রাকে বর্জ্য নিয়ে দুই দফায় নগরীর রাজবাধ ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যায় কেসিসি। আসা যাওয়া করতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। এর সাথে বেশ কিছু লোডার, পে-লোডার লং ধুম, স্কেভেটরসহ ২৫টির বেশি যন্ত্র ব্যবহার হয়। বর্তমান মশার প্রজনন মৌসুম চালায়, প্রতিদিন শহরের ৩১ টি ওয়ার্ডে ৩১ ফগার মেশিনের সাহায্যে মশক নিধন কাজ চলে। এ ছাড়াও কিছু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ৩টি করে ফগার মেশিন চলে সেখানে ও ৩ থেকে ৫ লিটার ডিজেল
লাগে। যা নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব পেট্রোল পাম্প. সেখান থেকে কেসিসির সকল গাড়ি ও যন্ত্র চালিত মেশিন চালনোর জন্য এই পাম্প হতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হলেও। গত কয়েকদিন কেসিসি বিপিসির স্থানীয় ডিপো হতে জ্বালানি তেল উত্তোলন/ক্রয় বন্ধ থাকায় পুরো শহর বর্জ্যরে জটে পরিণত হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কার সার্থে জ্বালানি তেল ক্রয় বন্ধ রেখে বর্জ্য পরিবহন বাধাগ্রস্থ হলো। তা সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভাপতি ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডাঃ আঃ সালাম, মোঃ
জামাল মোড়ল। মোঃ সিরাজ উদ্দিন সেন্টু. এড. কাজী আমিনুল ইসলাম মিঠু, মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, জিএম মহিউদ্দিন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, সাধারষ সম্পাদক এসএম মাহাবুবুর রহমান খোকন. যুগ্ম-সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আলী, মোঃ কামরুল ইসলাম ভুট্টো. কাওসারী জাহান মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাকিল আহমেদ রাজা, আঃ রাজ্জাক। মোঃ জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু. তালুকদার মোঃ হেলালুজ্জামান খন্দকার তৈয়েবুল ইসলাম টিম, মোঃ খায়রুল আলম, মোঃ সবুজুল ইসলাম, লিটন মিত্র, মোঃ মনিরুজ্জামান মিলন. সৈয়দ বদিউজ্জামান. মোঃ মামুন অর রশিদ, মোঃ রেজওয়ান হোসেন, মোঃ মেজবাহ উদ্দিন পাপ্পু, মোঃ আবু বক্কার মোঃ আজমল হোসেনসহ প্রমুখ।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত