প্রখর রোদ। একবিন্দু বাতাস ছিল না। দাবদাহের সূচনা পর্ব, গতকাল শনিবার ২৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। নানা শ্রেণি, পেশা, সংস্কৃতি কর্মী ও রাজনীতিকদের উপস্থিতিতে উৎসবে পরিণত হয় খুলনার জন্মদিন। ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি-এর আয়োজক। খুলনার ১৪৫তম জন্মদিনে এবারে ছিল ব্যতিক্রম আয়োজন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খুলনা একটি সমৃদ্ধ জনপদ। খুলনার হারিয়ে যাওয়া অতীত ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।খুলনার গৌরব ও ঐতিহ্যকে আগামি প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে খুলনা জিলা প্রতিষ্ঠার ১৪৪তম বছর পূর্তিতে “খুলনা দিবস” উদযাপনকে বক্তারা স্বাগত জানান।
দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আলোচনা পর্বেরও প্রধান অতিথি ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের মহাসচিব এড. হাফিজুর রহমান হাফিজের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল।
জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, নগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও নগর জামায়াতে ইসলামের আমির অধ্যাপক মোঃ মাহাফুজুর রহমান উন্নয়ন কমিটির দাতা পরিষদের সভাপতি শেখ আব্দুল মান্নান, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু প্রমুখ।
উল্লেখ, ১৮৪২ সালে ভৈরব-রূপসাবিধৌত নয়াবাদ থানা ও কিসমত খুলনাকে কেন্দ্র করে নতুন জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় খুলনায়। খুলনা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ব্রিটিশদের প্রশাসনিক এলাকা বৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অবস্থার কারণে খুলনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
মাত্র ৪০ বছরের ব্যবধানে ৪ হাজার ৬৩০ বর্গমাইল এলাকা, ৪৩ হাজার ৫০০ জনসংখ্যা অধ্যুষিত খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাকে নিয়ে ১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী খুলনার ১৪৪তম জন্মদিন আজ।
এর আগে খুলনা ছিল যশোর জেলার মহকুমা। ব্রিটিশ শাসক ডাব্লিউ এম ক্লে জেলার প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
খুলনা দিবস” উপলক্ষে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির পক্ষঞ থেকে দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল শুক্রবার বিকেল ৪টায় ময়ূর নদীতে ভেলা বাইচ, ২৫ এপ্রিল শিববাড়ী মোড়ে জমায়েত, বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা, খুলনার মেজবানী, বিকেল ৪টায় প্রবীন নাগরিক সম্মাননা অনুষ্ঠান, শনিবার সকালে শান্তির প্রতীক পায়রা এবং বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে খুলনা দিবসের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন শেষে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা।
উন্নয়ন কমিটির খুলনা দিবসে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা সেকেন্দার জাফর উল্লাহ খান সাচ্চু, নারী নেত্রী অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ।এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ, সিপিবি নেতা এস এ রশীদ, আব্দুল হান্নান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. মোল্লা মাসুম রশীদ, সাধারণ সম্পাদক এড. মশিউর রহমান নান্নু, আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি খান মনিরুজ্জামান, এড. গোলাম রসুল গাজী।
মকবুল হোসেন মিন্টু, দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, খুলনা প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা।খুলনা বিশ্বদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ শরাফত আলী দুলু, খুবির অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, আমরা বৃহত্তর খুলনাবাসী’র সাধারণ সম্পাদক শেখ ওমর ফারুক কচি, কেডিএস’র সভাপতি আব্দুস সালাম আকন শিমুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সবুর মোড়ল।
মোঃ নিজামউর রহমান লালু, মিনা আজিজুর রহমান, শাহীন জামাল পন, মোঃ আবুল বাসার, মিজানুর রহমান বাবু, মোঃ খলিলুর রহমান, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মোল্লা মারুফ রশীদ, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, মনিরুল ইসলাম মাস্টার, শেখ গোলাম সরোয়ার, মতলুবুর রহমান মিতুল, প্রফেসর সেলিনা বুলবুল।
শেখ আরিফ নেওয়াজ, বিশ্বাস জাফর আহমেদ, জিএম রেজাউল ইসলাম, রকিব উদ্দিন ফারাজী, প্রকৌশলী রফিকুল আলম সরদার, এড. সেলিম আল আজাদ, প্রকৌশলী সেলিমুল আজাদ, মোঃ ইলিয়াস মোল্লা, মোঃ সফিকুর রহমান, শিকদার আব্দুল খালেক, এড. এস এম মারুফ আহমেদ।
বেলা’র মাহফুজুর রহমান মুকুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী খান প্রমুখ। এছাড়াও খুলনা দিবসের দুইদিন ব্যাপী কর্মসূচিতে বিভিন্ন, রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
খুলনার জন্মদিনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে খুলনা দিবস উদযাপন ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
খুলনার জন্মদিনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে খুলনা দিবস উদযাপন ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
প্রখর রোদ। একবিন্দু বাতাস ছিল না। দাবদাহের সূচনা পর্ব, গতকাল শনিবার ২৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। নানা শ্রেণি, পেশা, সংস্কৃতি কর্মী ও রাজনীতিকদের উপস্থিতিতে উৎসবে পরিণত হয় খুলনার জন্মদিন। ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি-এর আয়োজক। খুলনার ১৪৫তম জন্মদিনে এবারে ছিল ব্যতিক্রম আয়োজন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খুলনা একটি সমৃদ্ধ জনপদ। খুলনার হারিয়ে যাওয়া অতীত ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।খুলনার গৌরব ও ঐতিহ্যকে আগামি প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে খুলনা জিলা প্রতিষ্ঠার ১৪৪তম বছর পূর্তিতে “খুলনা দিবস” উদযাপনকে বক্তারা স্বাগত জানান। দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আলোচনা পর্বেরও প্রধান অতিথি ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের মহাসচিব এড. হাফিজুর রহমান হাফিজের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল। জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, নগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও নগর জামায়াতে ইসলামের আমির অধ্যাপক মোঃ মাহাফুজুর রহমান উন্নয়ন কমিটির দাতা পরিষদের সভাপতি শেখ আব্দুল মান্নান, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু প্রমুখ। উল্লেখ, ১৮৪২ সালে ভৈরব-রূপসাবিধৌত নয়াবাদ থানা ও কিসমত খুলনাকে
কেন্দ্র করে নতুন জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় খুলনায়। খুলনা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ব্রিটিশদের প্রশাসনিক এলাকা বৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অবস্থার কারণে খুলনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মাত্র ৪০ বছরের ব্যবধানে ৪ হাজার ৬৩০ বর্গমাইল এলাকা, ৪৩ হাজার ৫০০ জনসংখ্যা অধ্যুষিত খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাকে নিয়ে ১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী খুলনার ১৪৪তম জন্মদিন আজ। এর আগে খুলনা ছিল যশোর জেলার মহকুমা। ব্রিটিশ শাসক ডাব্লিউ এম ক্লে জেলার প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। খুলনা দিবস” উপলক্ষে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির পক্ষঞ থেকে দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল শুক্রবার বিকেল ৪টায় ময়ূর নদীতে ভেলা বাইচ, ২৫ এপ্রিল শিববাড়ী মোড়ে জমায়েত, বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা, খুলনার মেজবানী, বিকেল ৪টায় প্রবীন নাগরিক সম্মাননা অনুষ্ঠান, শনিবার সকালে শান্তির প্রতীক পায়রা এবং বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে খুলনা দিবসের অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন শেষে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা। উন্নয়ন কমিটির খুলনা দিবসে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা সেকেন্দার জাফর উল্লাহ খান সাচ্চু, নারী নেত্রী অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ।এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ, সিপিবি নেতা এস এ রশীদ, আব্দুল হান্নান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. মোল্লা মাসুম রশীদ, সাধারণ সম্পাদক এড. মশিউর রহমান নান্নু,
আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি খান মনিরুজ্জামান, এড. গোলাম রসুল গাজী। মকবুল হোসেন মিন্টু, দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, খুলনা প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা।খুলনা বিশ্বদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ শরাফত আলী দুলু, খুবির অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, আমরা বৃহত্তর খুলনাবাসী’র সাধারণ সম্পাদক শেখ ওমর ফারুক কচি, কেডিএস’র সভাপতি আব্দুস সালাম আকন শিমুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সবুর মোড়ল। মোঃ নিজামউর রহমান লালু, মিনা আজিজুর রহমান, শাহীন জামাল পন, মোঃ আবুল বাসার, মিজানুর রহমান বাবু, মোঃ খলিলুর রহমান, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মোল্লা মারুফ রশীদ, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, মনিরুল ইসলাম মাস্টার, শেখ গোলাম সরোয়ার, মতলুবুর রহমান মিতুল, প্রফেসর সেলিনা বুলবুল। শেখ আরিফ নেওয়াজ, বিশ্বাস জাফর আহমেদ, জিএম রেজাউল ইসলাম, রকিব উদ্দিন ফারাজী, প্রকৌশলী রফিকুল আলম সরদার, এড. সেলিম আল আজাদ, প্রকৌশলী সেলিমুল আজাদ, মোঃ ইলিয়াস মোল্লা, মোঃ সফিকুর রহমান, শিকদার আব্দুল খালেক, এড. এস এম মারুফ আহমেদ। বেলা’র মাহফুজুর রহমান মুকুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী খান প্রমুখ। এছাড়াও খুলনা দিবসের দুইদিন ব্যাপী কর্মসূচিতে বিভিন্ন, রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত