খুলনার দক্ষিণ লবণচরা রূপসা নদী তীরে বালুর বেডের ওভারলোড ট্রাকের দৌরাত্ম্যের কারণে ও উড়ন্ত বালু ও ভাঙ্গা চোরা সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে।
খুলনা নগরের দক্ষিণ লবণচরা এলাকায় রূপসা নদীর তীরে গড়ে ওঠা অন্তত ১২টি বালুর বেড থেকে প্রতিদিন শতাধিক ড্রাম ট্রাকে ওভারলোড বালু শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন করা হচ্ছে। বালু পরিবহনের সময় ট্রাকগুলো ঢাকনা বা ত্রিপল ছাড়া চলাচল করায় তীব্র বাতাসে বালু উড়ে গিয়ে সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে।
ফলে রাস্তায় কয়েক ফুট পর্যন্ত বালুর স্তর জমে পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ধুলাবালুতে শ্বাসকষ্ট, বাড়ছে চর্মরোগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিনিয়ত উড়ন্ত ধুলাবালুর কারণে কাপড়চোপড় নষ্ট হওয়া, চোখ জ্বালা-পোড়া ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা বাড়ছে।
অনেকের মধ্যে চর্মরোগের উপসর্গও দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন ধুলাবালুর সংস্পর্শে থাকলে শিশু ও বৃদ্ধদের শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা বাড়তে পারে।( সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি. স্কুল ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে।
দুই চাকার যানবাহনঃ বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও সাইকেল, চালকদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বালুর স্তূপে চাকা স্লিপ করে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, একাধিকবার দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
( সড়কের বেহাল দশা: অতিরিক্ত ট্রাকে বালু লোডের কারণে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে উক্ত এলাকার রাস্তা গুলো।
সড়ক দিয়ে অতিরিক্ত ওভারলোড ট্রাক চলাচলের কারণে সদ্য মেরামতকৃত সড়কও অল্পদিনেই ভেঙে পড়ছে। বিশেষ করে রূপসা সেতু থেকে রূপসা ট্রাফিক মোড় হয়ে সেতুর এপ্রোচ রোড পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।
যা এখন পুকুরের মতো আকার ধারণ করেছে। এতে ভারী যানবাহন চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং যানজটও বাড়ছে।
( বারবার তাগিদ, তবুও নেই প্রতিকার নেই।
স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, বালুর বেডের মালিক ও পরিচালনাকারীদের একাধিকবার ত্রিপল ব্যবহার, নির্ধারিত ওজন মানা এবং রাস্তা পরিষ্কারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অমান্য করেই প্রতিনিয়ত বালু পরিবহন চলছে।
( সড়কের দুই ধারের বসবাস রত স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।
১. ওভারলোড বালু পরিবহন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জরিমানা।
২. প্রতিটি ট্রাকে বাধ্যতামূলক ত্রিপল বা কভার ব্যবহার নিশ্চিত করা।
৩. নিয়মিত রাস্তা পরিষ্কার ও পানি ছিটিয়ে ধুলাবালু নিয়ন্ত্রণ।
৪. ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার ও স্থায়ী সমাধান।
৫. স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসনে স্থানীয়ভাবে মেডিকেল ক্যাম্প ও সচেতনতা কার্যক্রম।
কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ জরুরি বিশেষজ্ঞদের মতে, বালু পরিবহনে নির্ধারিত ওজনসীমা লঙ্ঘন ও সুরক্ষা বিধি না মানা সড়ক নিরাপত্তা আইনের পরিপন্থী। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগকে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় জনগণের প্রশ্ন ? জনস্বাস্থ্য ও সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি কি এভাবেই উপেক্ষিত থাকবে ? নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দক্ষিণ লবণচরা ও রূপসা এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।
খুলনার দক্ষিণ লবনচরা বালুর বেডের ওভারলোড ট্রাকের কারনে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছে
খুলনার দক্ষিণ লবনচরা বালুর বেডের ওভারলোড ট্রাকের কারনে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছে
খুলনার দক্ষিণ লবণচরা রূপসা নদী তীরে বালুর বেডের ওভারলোড ট্রাকের দৌরাত্ম্যের কারণে ও উড়ন্ত বালু ও ভাঙ্গা চোরা সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। খুলনা নগরের দক্ষিণ লবণচরা এলাকায় রূপসা নদীর তীরে গড়ে ওঠা অন্তত ১২টি বালুর বেড থেকে প্রতিদিন শতাধিক ড্রাম ট্রাকে ওভারলোড বালু শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন করা হচ্ছে। বালু পরিবহনের সময় ট্রাকগুলো ঢাকনা বা ত্রিপল ছাড়া চলাচল করায় তীব্র বাতাসে বালু উড়ে গিয়ে সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে রাস্তায় কয়েক ফুট পর্যন্ত বালুর স্তর জমে পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ধুলাবালুতে শ্বাসকষ্ট, বাড়ছে চর্মরোগ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিনিয়ত উড়ন্ত ধুলাবালুর কারণে কাপড়চোপড় নষ্ট হওয়া, চোখ জ্বালা-পোড়া ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা বাড়ছে। অনেকের মধ্যে চর্মরোগের উপসর্গও দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন ধুলাবালুর সংস্পর্শে থাকলে শিশু ও বৃদ্ধদের শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা বাড়তে পারে।( সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি. স্কুল ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে। দুই চাকার যানবাহনঃ বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও সাইকেল, চালকদের জন্য পরিস্থিতি
অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বালুর স্তূপে চাকা স্লিপ করে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, একাধিকবার দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ( সড়কের বেহাল দশা: অতিরিক্ত ট্রাকে বালু লোডের কারণে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে উক্ত এলাকার রাস্তা গুলো। সড়ক দিয়ে অতিরিক্ত ওভারলোড ট্রাক চলাচলের কারণে সদ্য মেরামতকৃত সড়কও অল্পদিনেই ভেঙে পড়ছে। বিশেষ করে রূপসা সেতু থেকে রূপসা ট্রাফিক মোড় হয়ে সেতুর এপ্রোচ রোড পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন পুকুরের মতো আকার ধারণ করেছে। এতে ভারী যানবাহন চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং যানজটও বাড়ছে। ( বারবার তাগিদ, তবুও নেই প্রতিকার নেই। স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, বালুর বেডের মালিক ও পরিচালনাকারীদের একাধিকবার ত্রিপল ব্যবহার, নির্ধারিত ওজন মানা এবং রাস্তা পরিষ্কারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম অমান্য করেই প্রতিনিয়ত বালু
পরিবহন চলছে। ( সড়কের দুই ধারের বসবাস রত স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি। ১. ওভারলোড বালু পরিবহন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জরিমানা। ২. প্রতিটি ট্রাকে বাধ্যতামূলক ত্রিপল বা কভার ব্যবহার নিশ্চিত করা। ৩. নিয়মিত রাস্তা পরিষ্কার ও পানি ছিটিয়ে ধুলাবালু নিয়ন্ত্রণ। ৪. ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার ও স্থায়ী সমাধান। ৫. স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসনে স্থানীয়ভাবে মেডিকেল ক্যাম্প ও সচেতনতা কার্যক্রম। কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ জরুরি বিশেষজ্ঞদের মতে, বালু পরিবহনে নির্ধারিত ওজনসীমা লঙ্ঘন ও সুরক্ষা বিধি না মানা সড়ক নিরাপত্তা আইনের পরিপন্থী। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগকে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় জনগণের প্রশ্ন ? জনস্বাস্থ্য ও সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি কি এভাবেই উপেক্ষিত থাকবে ? নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দক্ষিণ লবণচরা ও রূপসা এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত