দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম- আহ্বায়ক খান মুরাদকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ০৫ টার দিকে উপজেলার সেনহাটি বক্সীবাড়ি কবরস্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুরাদ হাজী গ্রামের বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৮ ফেব্র“য়ারি দুপুরে উপজেলা মোড়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহŸায়ক সাজ্জাত ও সেনহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলামিনের সাথে নিহত মুরাদের বাক-বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছিল।
এরই জেরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে তার গতি রোধ করে সাজ্জাত ও আলামিনসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জন মুরাদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য সে বক্সীবাড়ি মসজিদ সংলগ্ন একটি দোকানে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা ওই দোকানের তালা ভেঙে দোকানের ভেতরই পুনরায় হামলা করে। দুর্বৃত্তরা ছুরি দিয়ে দুই হাঁটুর নিচের রগ কেটে দেয়।
খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, যুবদল নেতা মুরাদকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। কারণ উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে।
জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, পূর্ব শত্র“তার জের ধরে মুরাদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। রগ কেটে তাকে আটকে রাখায় শরীর থেকে সমস্ত রক্ত বের হয়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এটা অমানবিক। আমরা অমানবিক এবং এই ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাই।
তিনি বলেন, হত্যাকারী যেই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, আমরা প্রশাসনের কাছে জানাব, অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
এখানে হত্যাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় দেখার প্রয়োজন নেই এবং কার সঙ্গে কি সম্পর্ক রয়েছে এটাও বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের একজন রাজনৈতিক কর্মী শুধু নয়, একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীরা যেন গ্রেফতার হয়; তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।
খুলনার দিঘলিয়ায় যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্য করেছে দুর্বৃত্তরা
খুলনার দিঘলিয়ায় যুবদল নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্য করেছে দুর্বৃত্তরা
দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম- আহ্বায়ক খান মুরাদকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ০৫ টার দিকে উপজেলার সেনহাটি বক্সীবাড়ি কবরস্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুরাদ হাজী গ্রামের বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৮ ফেব্র“য়ারি দুপুরে উপজেলা মোড়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহŸায়ক সাজ্জাত ও সেনহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলামিনের সাথে নিহত মুরাদের বাক-বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছিল। এরই জেরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে তার গতি রোধ করে সাজ্জাত ও আলামিনসহ আরও ১০ থেকে ১৫
জন মুরাদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য সে বক্সীবাড়ি মসজিদ সংলগ্ন একটি দোকানে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা ওই দোকানের তালা ভেঙে দোকানের ভেতরই পুনরায় হামলা করে। দুর্বৃত্তরা ছুরি দিয়ে দুই হাঁটুর নিচের রগ কেটে দেয়। খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, যুবদল নেতা মুরাদকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। কারণ উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে। জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, পূর্ব শত্র“তার জের ধরে মুরাদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। এ
ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। রগ কেটে তাকে আটকে রাখায় শরীর থেকে সমস্ত রক্ত বের হয়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এটা অমানবিক। আমরা অমানবিক এবং এই ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাই। তিনি বলেন, হত্যাকারী যেই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, আমরা প্রশাসনের কাছে জানাব, অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এখানে হত্যাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় দেখার প্রয়োজন নেই এবং কার সঙ্গে কি সম্পর্ক রয়েছে এটাও বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের একজন রাজনৈতিক কর্মী শুধু নয়, একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীরা যেন গ্রেফতার হয়; তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত