পবিত্র মাহে রমজানের সময় নগরীতে গরু ও ছাগলের মাংস, ডিম ও বয়লার মুরগির খুচরা বিক্রি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)।
গতকাল বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই দর নির্ধারণ করা হয়।
সভায় রমজান উপলক্ষ্যে প্রতিকেজি খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৪০ থেকে ৭৫০ টাকা, ডিম প্রতি হালি ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা ও বয়লায় মুরগী প্রতিকেজি ১৮০ টাকায় খুচরা বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর বাইরে অতিরিক্ত দাম নিলে এবং মেয়াদউত্তীর্ণ পণ্য, ভেজাল, পচাবাসি খাবার বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব আরিফুল ইসলাম।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (এডিসি দক্ষিণ) অমিত বর্মন, কেসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা।
নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানসহ নগরীর পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কেসিসির প্রশাসক বলেন, পবিত্র রমজান মাস ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের সংযমী হতে হবে। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অন্য মাসের তুলনায় রমজানে কম লাভ করলে সওয়াব বেশি পাওয়া যাবে।
প্রতিটি দোকানে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিদিনের মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং ক্রয়ের পাকা রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন পবিত্র মাহে রমজানের সময় গরুর ও খাসির মাংসের দাম বেঁধে দিয়েছে
খুলনা সিটি কর্পোরেশন পবিত্র মাহে রমজানের সময় গরুর ও খাসির মাংসের দাম বেঁধে দিয়েছে
পবিত্র মাহে রমজানের সময় নগরীতে গরু ও ছাগলের মাংস, ডিম ও বয়লার মুরগির খুচরা বিক্রি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। গতকাল বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই দর নির্ধারণ করা হয়। সভায় রমজান উপলক্ষ্যে প্রতিকেজি খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, গরুর মাংস ৭৪০ থেকে ৭৫০ টাকা, ডিম প্রতি হালি ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা ও বয়লায় মুরগী প্রতিকেজি ১৮০
টাকায় খুচরা বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর বাইরে অতিরিক্ত দাম নিলে এবং মেয়াদউত্তীর্ণ পণ্য, ভেজাল, পচাবাসি খাবার বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব আরিফুল ইসলাম। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (এডিসি দক্ষিণ) অমিত বর্মন, কেসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা। নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানসহ নগরীর পাইকারি ও
খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কেসিসির প্রশাসক বলেন, পবিত্র রমজান মাস ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের সংযমী হতে হবে। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অন্য মাসের তুলনায় রমজানে কম লাভ করলে সওয়াব বেশি পাওয়া যাবে। প্রতিটি দোকানে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিদিনের মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং ক্রয়ের পাকা রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত