খেলাধুলা ও ক্রীড়াঙ্গন রাজনীতি মুক্ত হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আমার জগৎটা এখন রাজনীতির। কিন্তু আমি খেলার মধ্যে রাজনীতি আনার পক্ষে কোনদিনি নই। আমি সবসময় মনে করেছি যে- খেলাধুলা, ক্রীড়াঙ্গন এটা রাজনীতি মুক্ত হওয়া উচিৎ।
শুক্রবার (২০ জুন) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি’ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
ফাইনাল খেলায় দিনাজপুর ডেমনেটর্স ক্রিকেট দলকে পরাজিত হয়ে চ্যাম্পিয়ন হন পাবনা ক্রিকেটার্স ক্রিকেট দল। এই টুর্নামেন্টের মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছিল।
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা যোগ্য তারা খেলবেন, আর সবচেয়ে বড় জিনিস যারা মাঠে থেকে খেলেন তাদের হৃদয়টা অনেক বড় হয়, এটা প্রমাণিত এবং দেখা যায় ওখানে ক্ষুদ্র দলমত এগুলো নিয়ে কোন বিভেদ থাকে না। আমাদের মধ্যে সেটাই ছিল, আবার ছিলনা। একেক জন একেক দল সমর্থন করতাম আমরা, একেক জন একেকটা মতামত সমর্থন করতাম। কিন্তু ক্রিকেট যখন আসতো তখন আমরা সবাই একসাথে ক্রিকেটের পক্ষে থাকতাম। এ রকম অনেক স্মৃতি আছে সেসব স্মৃতি বললে অনেক সময় লেগে যাবে।
তিনি বলেন, একটা কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে, দেশটা আমার, এটা অন্য কারও নয়। এই দেশটাতে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। গত ১৫ বছরে এই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু এখন সময় এসেছে এই দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার। আমি বিশ^াস করি ঠাকুরগাঁওয়ের যারা ক্রীড়ামোদি আছেন, তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে, সেখানে আবার যেন দলমত ভাগাভাগি করা না হয়Ñ দলমত নির্বিশেষে সবাই একসাথে যাদের যোগ্যতা আছে তাদের নিয়ে সাংগঠনিক ভাবে এবং খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমাদের একটা নতুন করে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। অনেক প্রাণ গেছে, অনেক ছাত্ররা জীবন দিয়েছে; তাদের আত্মার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, যারা আহত হয়েছে তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি এবং এইযে আমাদেরকে একটা নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছেÑ একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য; গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করার জন্য এবং সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য যে পরিবেশটি নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছে সেজন্য নিঃস্বন্দেহে তাদেরকে আমরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাবো।
আসুন আমরা সবাই মিলে আমাদের এই দেশটাকে ঠিক যেভাবে গড়ে তোলার জন্য শপথ নিয়েছি, ঠিক তেমনি ভাবে ক্রিকেটকে গড়ে তোলার জন্য আমরা সবাই মিলে শপথ গ্রহণ করি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীন, ‘মির্জা রুহুল আমিন’ স্মৃতি টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন, ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরদার মোস্তফা শাহিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ প্রমুখ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
তিনি বলেন, আমার জগৎটা এখন রাজনীতির। কিন্তু আমি খেলার মধ্যে রাজনীতি আনার পক্ষে কোনদিনি নই। আমি সবসময় মনে করেছি যে- খেলাধুলা, ক্রীড়াঙ্গন এটা রাজনীতি মুক্ত হওয়া উচিৎ।
শুক্রবার (২০ জুন) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি’ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
ফাইনাল খেলায় দিনাজপুর ডেমনেটর্স ক্রিকেট দলকে পরাজিত হয়ে চ্যাম্পিয়ন হন পাবনা ক্রিকেটার্স ক্রিকেট দল। এই টুর্নামেন্টের মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছিল।
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা যোগ্য তারা খেলবেন, আর সবচেয়ে বড় জিনিস যারা মাঠে থেকে খেলেন তাদের হৃদয়টা অনেক বড় হয়, এটা প্রমাণিত এবং দেখা যায় ওখানে ক্ষুদ্র দলমত এগুলো নিয়ে কোন বিভেদ থাকে না। আমাদের মধ্যে সেটাই ছিল, আবার ছিলনা। একেক জন একেক দল সমর্থন করতাম আমরা, একেক জন একেকটা মতামত সমর্থন করতাম। কিন্তু ক্রিকেট যখন আসতো তখন আমরা সবাই একসাথে ক্রিকেটের পক্ষে থাকতাম। এ রকম অনেক স্মৃতি আছে সেসব স্মৃতি বললে অনেক সময় লেগে যাবে।
তিনি বলেন, একটা কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে, দেশটা আমার, এটা অন্য কারও নয়। এই দেশটাতে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। গত ১৫ বছরে এই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু এখন সময় এসেছে এই দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার। আমি বিশ^াস করি ঠাকুরগাঁওয়ের যারা ক্রীড়ামোদি আছেন, তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে, সেখানে আবার যেন দলমত ভাগাভাগি করা না হয়Ñ দলমত নির্বিশেষে সবাই একসাথে যাদের যোগ্যতা আছে তাদের নিয়ে সাংগঠনিক ভাবে এবং খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমাদের একটা নতুন করে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। অনেক প্রাণ গেছে, অনেক ছাত্ররা জীবন দিয়েছে; তাদের আত্মার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, যারা আহত হয়েছে তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি এবং এইযে আমাদেরকে একটা নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছেÑ একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য; গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করার জন্য এবং সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য যে পরিবেশটি নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছে সেজন্য নিঃস্বন্দেহে তাদেরকে আমরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাবো।
আসুন আমরা সবাই মিলে আমাদের এই দেশটাকে ঠিক যেভাবে গড়ে তোলার জন্য শপথ নিয়েছি, ঠিক তেমনি ভাবে ক্রিকেটকে গড়ে তোলার জন্য আমরা সবাই মিলে শপথ গ্রহণ করি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীন, ‘মির্জা রুহুল আমিন’ স্মৃতি টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন, ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরদার মোস্তফা শাহিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ প্রমুখ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব