সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন বা প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ গুঞ্জন ও সমালোচনা তৈরি হয় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।নেটিজেনদের অনেকেই দাবি করেন সৌন্দর্য বাড়াতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রী। অবশেষে নিজের সার্জারি গুঞ্জন ও ট্রল নিয়ে মুখ খুলেছেন কেয়া পায়েল।
কেয়া পায়েল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সার্জারি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জানান তিনি জন্মগতভাবেই সুন্দর এবং ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছেন। তবে নিজের একটি বিউটি স্যালন থাকায় সৌন্দর্য নিয়ে আরও বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় সামান্য পরিবর্তন আনেন তিনি।
এ বিষয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘কখনো আমার মধ্যে এমন কোনো উদ্দেশ্য ছিল না যে এক্সট্রা কিছু করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। কারণ আমি যেমন আছি তেমনই খুশি। তবে টুকটাক দুই একটা জিনিস একটু জাস্ট অ্যাড করেছি। আর তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল যে তারা এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। তাদের এই অবস্থা দেখে আমি মনে মনে বললাম ভাই মাফ চাই, আর হবে না।
বাইরের দেশের তারকারা এমন পরিবর্তন করলে সেটিকে গ্রুমিং বলা হয় অথচ দেশের শিল্পীদের ক্ষেত্রে ট্রল করা হয় কেন এমন প্রশ্নের জবাবে দেশের মানুষের মানসিকতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।
দেশের মানুষকে অতি আবেগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। তারা না জেনে একজন বলা শুরু করলে অন্যরাও তাল মেলায়। তারা জানেও না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও এখন মন্তব্য করে। এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে।’
রাস্তায় অকারণে ভিড় জমানোর উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তায় কোনো ঘটনা ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে তা না জেনেই মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা আসলে অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হচ্ছে।
কেয়া পায়েল যে কারণে মাফ চাইলেন
কেয়া পায়েল যে কারণে মাফ চাইলেন
সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন বা প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ গুঞ্জন ও সমালোচনা তৈরি হয় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।নেটিজেনদের অনেকেই দাবি করেন সৌন্দর্য বাড়াতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন এই অভিনেত্রী। অবশেষে নিজের সার্জারি গুঞ্জন ও ট্রল নিয়ে মুখ খুলেছেন কেয়া পায়েল। কেয়া পায়েল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সার্জারি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জানান তিনি জন্মগতভাবেই সুন্দর এবং ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছেন। তবে নিজের একটি বিউটি স্যালন থাকায় সৌন্দর্য নিয়ে আরও বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় সামান্য পরিবর্তন আনেন তিনি।
এ বিষয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘কখনো আমার মধ্যে এমন কোনো উদ্দেশ্য ছিল না যে এক্সট্রা কিছু করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। কারণ আমি যেমন আছি তেমনই খুশি। তবে টুকটাক দুই একটা জিনিস একটু জাস্ট অ্যাড করেছি। আর তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল যে তারা এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। তাদের এই অবস্থা দেখে আমি মনে মনে বললাম ভাই মাফ চাই, আর হবে না। বাইরের দেশের তারকারা এমন পরিবর্তন করলে সেটিকে গ্রুমিং বলা হয় অথচ দেশের শিল্পীদের ক্ষেত্রে ট্রল করা হয় কেন এমন প্রশ্নের জবাবে দেশের মানুষের মানসিকতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ
করেন এই অভিনেত্রী। দেশের মানুষকে অতি আবেগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। তারা না জেনে একজন বলা শুরু করলে অন্যরাও তাল মেলায়। তারা জানেও না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও এখন মন্তব্য করে। এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে।’ রাস্তায় অকারণে ভিড় জমানোর উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তায় কোনো ঘটনা ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে তা না জেনেই মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা আসলে অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হচ্ছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত