কেএমপি হেডকোয়র্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে কেএমপি কমিশনারের সাথে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।
সভায় সম্মানিত কমিশনার ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ ট্রাফিক পুলিশ কারণ তাদের কার্যক্রম, জনগণ সরাসরি প্রত্যক্ষ করে থাকে।
এজন্য ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং ধৈর্যের সাথে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা প্রদান করেন। চালক বা সাধারণ মানুষের সাথে কোনোভাবেই যেন অসদাচরণ না করা হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে। প্রতিটি বিষয়কে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন তিনি।
অতঃপর গত এক মাসে প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার জন্য ১৫ জন কনস্টেবল, ৫ জন এটিএসআই এবং ৫ জন সার্জেন্টকে আর্থিক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে একজন মোবাইল চোরকে হাতেনাতে আটক করার জন্য এক সার্জেন্ট ও তার সহকারী কনস্টেবলকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এছাড়াও আন্তঃ-ট্রাফিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। তিনি আরোও জানান, ভালো কাজের স্বীকৃতি প্রদান ও পুরস্কার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে।
এসময় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) জনাব মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব শফিকুল ইসলাম-সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
কেএমপি কমিশনারের সাথে ট্রাফিক সদস্যদের মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
কেএমপি কমিশনারের সাথে ট্রাফিক সদস্যদের মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
কেএমপি হেডকোয়র্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আজ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে কেএমপি কমিশনারের সাথে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা। সভায় সম্মানিত কমিশনার ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে দৃশ্যমান অংশ ট্রাফিক পুলিশ কারণ তাদের কার্যক্রম, জনগণ সরাসরি
প্রত্যক্ষ করে থাকে। এজন্য ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং ধৈর্যের সাথে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা প্রদান করেন। চালক বা সাধারণ মানুষের সাথে কোনোভাবেই যেন অসদাচরণ না করা হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে। প্রতিটি বিষয়কে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন তিনি। অতঃপর গত এক মাসে প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার জন্য ১৫ জন কনস্টেবল, ৫ জন এটিএসআই এবং ৫ জন সার্জেন্টকে আর্থিক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে একজন মোবাইল চোরকে হাতেনাতে আটক
করার জন্য এক সার্জেন্ট ও তার সহকারী কনস্টেবলকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও আন্তঃ-ট্রাফিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। তিনি আরোও জানান, ভালো কাজের স্বীকৃতি প্রদান ও পুরস্কার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে। এসময় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) জনাব মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জনাব শফিকুল ইসলাম-সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত