আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে তার জন্ম। দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন।
প্রতিবছর ২৫শে বৈশাখে রবীন্দ্রপ্রেমী বাঙালির মনে তৈরি হয় বিশেষ এক আবহ। কারণ দিনটি শুধু একজন কবির জন্মদিন নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, মনন ও আত্মপরিচয়ের দিনও।
বাংলা সাহিত্য, সংগীত, চিত্রশিল্প ও দর্শন—প্রতিটি স্তরে রবীন্দ্রনাথ এমনভাবে মিশে আছেন, তাঁর জন্মদিন বাঙালির এক আনন্দঘন সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুতোষ সাহিত্য, চিত্রকলায় তাঁর সৃষ্টিশীলতার অসামান্য দীপ্তি ছড়িয়ে আছে। মানবতা, দেশপ্রেম, সত্য ও ন্যায়ের পথে তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও তাঁর গান ছিল বাঙালির প্রেরণার শক্তি।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে তিন দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। কুষ্টিয়ার পাশাপাশি কবির স্মৃতিধন্য নওগাঁর পতিসরেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ১১ মে পর্যন্ত চার দিনের ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন থাকছে।
বাংলা একাডেমিতে রবীন্দ্রজয়ন্তীর আয়োজন হবে সোমবার (১১ মে) বিকেল ৩টায়। সেমিনার, রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৬ প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিকে স্মরণ করবেন বিশিষ্টজনরা।
সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসবের আয়োজন করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা এবং কাল সন্ধ্যা ৭টায় ছায়ানট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে থাকবে আলোচনা, নাচ, গান ও আবৃত্তি।
কবিগুরুর জন্মদিন আজ
কবিগুরুর জন্মদিন আজ
আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে তার জন্ম। দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। প্রতিবছর ২৫শে বৈশাখে রবীন্দ্রপ্রেমী বাঙালির মনে তৈরি হয় বিশেষ এক আবহ। কারণ দিনটি শুধু একজন কবির জন্মদিন নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, মনন ও আত্মপরিচয়ের দিনও। বাংলা সাহিত্য, সংগীত, চিত্রশিল্প ও দর্শন—প্রতিটি স্তরে রবীন্দ্রনাথ এমনভাবে মিশে আছেন, তাঁর জন্মদিন বাঙালির এক আনন্দঘন সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার
অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুতোষ সাহিত্য, চিত্রকলায় তাঁর সৃষ্টিশীলতার অসামান্য দীপ্তি ছড়িয়ে আছে। মানবতা, দেশপ্রেম, সত্য ও ন্যায়ের পথে তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও তাঁর গান ছিল বাঙালির প্রেরণার শক্তি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে তিন দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। কুষ্টিয়ার পাশাপাশি কবির স্মৃতিধন্য নওগাঁর পতিসরেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা
হয়েছে। শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুক্রবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ১১ মে পর্যন্ত চার দিনের ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন থাকছে। বাংলা একাডেমিতে রবীন্দ্রজয়ন্তীর আয়োজন হবে সোমবার (১১ মে) বিকেল ৩টায়। সেমিনার, রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৬ প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিকে স্মরণ করবেন বিশিষ্টজনরা। সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসবের আয়োজন করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা এবং কাল সন্ধ্যা ৭টায় ছায়ানট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে থাকবে আলোচনা, নাচ, গান ও আবৃত্তি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত