মারিয়া মেহজাবিন,সিরাজগঞ্জঃ- সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নুরনগর কাটাখালি বাজার এলাকায় এক ঠিকাদার-ব্যবসায়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রডদিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত আব্দুল আলিম উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের নূরনগর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শাহেদ আলী শেখের ছেলে ও স্থানীয় একজন ঠিকাদার ব্যবসায়ি বলে জানাগেছে। ঘটনাটি ঘটেছে (২৩ ফেব্রুয়ারী) রবিবার সন্ধায়।
আহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের চর-নুূরনগর গ্রামের কারী আফজাল হোসেনের ছেলে মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়ার সাথে নুরনগর উত্তর পাড়া এলাকার ঠিকাদার আব্দুল আলিমের পূর্ব পরিচয় ছিল।
দীর্ঘদিনের পূর্ব পরিচয়ের এক পর্যায়ে এই মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়া গত ২০০৮ সালে ঠিকাদার আব্দুল আলিমের সহায়তায় ভদ্রঘাট বাজারে অবস্থিত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ উত্তলন করেন। এই ঋণ উত্তলনের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধ না করায় ঋণের
বোঝা দিন দিন বারতেই থাকে। এতে দীর্ঘদিনে ব্যাংকের ঋণের নগদ টাকা বা লভ্যাংশের টাকা জমা না দেয়ায় সুদে আসলে টাকার পরিমাণ দাড়ায় প্রায় চারগুণ।
এদিকে ঋণ উত্তলন কারি মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়া ব্যাংকের ঋণের নগদ টাকা বা লভ্যাংশের টাকা জমা না দেয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লোন গ্রহনে সহায়তাকারী ঠিকাদার আব্দুল আলিমকে ঋণের নগদ টাকা ও লভ্যাংশের চক্রবৃদ্ধিসহ ব্যাংকের সাকুল্য টাকা জমাদানের জন্য তাগাদা দেয়।
উপায়ন্তর না দেখে ঠিকাদার আব্দুল আলিম ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলন কারি মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়াকে ঋণের নগদ টাকা ও লভ্যাংশের চক্রবৃদ্ধিসহ ব্যাংকের সাকুল্য টাকা জমাদানের জন্য তাগাদা দেয়।
ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলনের এই টাকা ফেরত প্রদানের তাগাদা দেয়ায় মুফতি খাজা গেলাম আম্বিয়ার ছেলে শানে খোদা মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে ঠিকাদার আব্দুল আলিমের সাথে বাগবিতণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এবং উভয়ের মধ্যে কথা-কথন শুরু হয়।
এরই একপর্যায়ে খাজা গেলাম আম্বিয়ার বড়ভাই-নুর-মুহাম্মদ এর ছেলে ও হুকুমদাতা বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে শানে খোদা মামুনসহ ৫/৬ মিলে ঠিকাদার আব্দুল আলিমের উপর হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রডদিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত মারাত্মক আহত করে। এসময় ঠিকাদার আব্দুল আলিম রক্তাক্ত আহত অবস্থায় জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেলে হামলা কারিরা ঘটনা বেগতিক দেখে দ্রুত চম্পট দেয়।
পরে পার্শ্ববর্তী স্থানীয় লোকেরা অচেতন রক্তাক্ত মারাত্মক আহত অবস্থায় ঠিকাদার আব্দুল আলিমকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ভর্তি করে। তার মাথায় ক্ষতবিক্ষত,মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে আহতের পরিবার সুত্রে জানাগেছে।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
আহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের চর-নুূরনগর গ্রামের কারী আফজাল হোসেনের ছেলে মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়ার সাথে নুরনগর উত্তর পাড়া এলাকার ঠিকাদার আব্দুল আলিমের পূর্ব পরিচয় ছিল।
দীর্ঘদিনের পূর্ব পরিচয়ের এক পর্যায়ে এই মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়া গত ২০০৮ সালে ঠিকাদার আব্দুল আলিমের সহায়তায় ভদ্রঘাট বাজারে অবস্থিত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ উত্তলন করেন। এই ঋণ উত্তলনের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধ না করায় ঋণের
বোঝা দিন দিন বারতেই থাকে। এতে দীর্ঘদিনে ব্যাংকের ঋণের নগদ টাকা বা লভ্যাংশের টাকা জমা না দেয়ায় সুদে আসলে টাকার পরিমাণ দাড়ায় প্রায় চারগুণ।
এদিকে ঋণ উত্তলন কারি মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়া ব্যাংকের ঋণের নগদ টাকা বা লভ্যাংশের টাকা জমা না দেয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লোন গ্রহনে সহায়তাকারী ঠিকাদার আব্দুল আলিমকে ঋণের নগদ টাকা ও লভ্যাংশের চক্রবৃদ্ধিসহ ব্যাংকের সাকুল্য টাকা জমাদানের জন্য তাগাদা দেয়।
উপায়ন্তর না দেখে ঠিকাদার আব্দুল আলিম ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলন কারি মুফতি খাজা গোলাম আম্বিয়াকে ঋণের নগদ টাকা ও লভ্যাংশের চক্রবৃদ্ধিসহ ব্যাংকের সাকুল্য টাকা জমাদানের জন্য তাগাদা দেয়।
ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তলনের এই টাকা ফেরত প্রদানের তাগাদা দেয়ায় মুফতি খাজা গেলাম আম্বিয়ার ছেলে শানে খোদা মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে ঠিকাদার আব্দুল আলিমের সাথে বাগবিতণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এবং উভয়ের মধ্যে কথা-কথন শুরু হয়।
এরই একপর্যায়ে খাজা গেলাম আম্বিয়ার বড়ভাই-নুর-মুহাম্মদ এর ছেলে ও হুকুমদাতা বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে শানে খোদা মামুনসহ ৫/৬ মিলে ঠিকাদার আব্দুল আলিমের উপর হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রডদিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত মারাত্মক আহত করে। এসময় ঠিকাদার আব্দুল আলিম রক্তাক্ত আহত অবস্থায় জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেলে হামলা কারিরা ঘটনা বেগতিক দেখে দ্রুত চম্পট দেয়।
পরে পার্শ্ববর্তী স্থানীয় লোকেরা অচেতন রক্তাক্ত মারাত্মক আহত অবস্থায় ঠিকাদার আব্দুল আলিমকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ভর্তি করে। তার মাথায় ক্ষতবিক্ষত,মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে আহতের পরিবার সুত্রে জানাগেছে।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব