গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বুধবার অভিযান চালিয়ে মাটি খুড়ে চোলাই মদের কারখানা ধ্বংস করেছে যৌথ বাহিনী। পরে চার মাদক ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও মুচলেকা নিয়ে আরো দুই শিশুকে ছেড়ে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এমন অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এছাড়াও ৮৪৫ পিচ ইয়াবাসহ অপর এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কালিয়াকৈর উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার রতিরঞ্জন বর্মণের মেয়ে সুমিত্রা রানী (৫০), একই এলাকার মঙ্গলের ছেলে অনিক (১৯), একই এলাকার বিরেন্দ্র বর্মণের দুই ছেলে পবিত্র বর্মণ (২৪) ও অমিত বর্মণ (২২)। এছাড়াও অপর
গ্রেপ্তারকৃত হলেন, একই উপজেলার ফুলবাড়িয়া উত্তরপাড়া এলাকার তাইজুদ্দিনের ছেলে রানা মিয়া।
এলাকাবাসী, পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন দিন বেড়েই চলেছে মাদকের বিস্তার। আর মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নানা অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মাসিক সভায় আলোচনা হলেও প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। বিভিন্ন এলাকায় বসত-
বাড়িতেই চোলাই মদের কারখানা তৈরি করে মাদক ব্যবসায়ীরা। ওই কারখানায় চোলাই মদ তৈরি করে বাড়িরর পাশের পুকুরপাড়, বাগান ও নির্ঝন স্থানে মাটি খুড়ে লুকিয়ে রাখা হয়।
পরবর্তীতে সময় সুযোগ বুঝে ওই চোলাই মদ মাদক সেবীদের কাছে বিক্রি করে মাদক ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া এলাকায় চোলাই মদের কারখানা খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। এমন খবরের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বুধবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। এ অভিযানে উপস্থিত
ছিলেন সেনা বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও মাদ্রক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৪ ঘন্টা এ যৌথ অভিযানে কোদালসহ বিভিন্ন যন্ত্র দিয়ে মাটি খুড়ে চোলাই মদের কারখানা বেড়িয়ে আসে।
এসময় গর্ত থেকে একের পর এক চোলাই মদ ভর্তি ড্রাম। এ সময় দুই শিশুসহ ছয় মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে যৌথ বাহিনী। পরে এলাকাবাসী সম্মুখে যৌথ বাহিনী উদ্ধারকৃত প্রায় ১৫ হাজার চোলাই মদ ধ্বংস করে দেয়। তাদের এমন অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
অভিযান পরিচালনা শেষে আটককৃতদের নিয়ে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ। ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ভুইয়া, পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-
কর্মচারীরা। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী সুমিত্রা রানী, পবিত্র বর্মণ, অমিত বর্মণ ও অনিক বর্মণকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আটককৃত অপর দুই শিশু স্বপন বর্মণ ও পূর্ণিমা রানীকে মোচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অপরদিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া উত্তরপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন মাদক ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে কালিয়াকৈর থানাধীন ফুলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) সুরুজ জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালায়।
অভিযান চালিয়ে পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী রানা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে প্রায় ৮৪৫ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদন্ড প্রাপ্ত চার আসামীসহ পাঁচজনকে গাজীপুর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহামেদ জানান, চার মাদক ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ওই শিশুকে মোচলেকা নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এমন অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এছাড়াও ৮৪৫ পিচ ইয়াবাসহ অপর এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কালিয়াকৈর উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার রতিরঞ্জন বর্মণের মেয়ে সুমিত্রা রানী (৫০), একই এলাকার মঙ্গলের ছেলে অনিক (১৯), একই এলাকার বিরেন্দ্র বর্মণের দুই ছেলে পবিত্র বর্মণ (২৪) ও অমিত বর্মণ (২২)। এছাড়াও অপর
গ্রেপ্তারকৃত হলেন, একই উপজেলার ফুলবাড়িয়া উত্তরপাড়া এলাকার তাইজুদ্দিনের ছেলে রানা মিয়া।
এলাকাবাসী, পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন দিন বেড়েই চলেছে মাদকের বিস্তার। আর মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নানা অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মাসিক সভায় আলোচনা হলেও প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। বিভিন্ন এলাকায় বসত-
বাড়িতেই চোলাই মদের কারখানা তৈরি করে মাদক ব্যবসায়ীরা। ওই কারখানায় চোলাই মদ তৈরি করে বাড়িরর পাশের পুকুরপাড়, বাগান ও নির্ঝন স্থানে মাটি খুড়ে লুকিয়ে রাখা হয়।
পরবর্তীতে সময় সুযোগ বুঝে ওই চোলাই মদ মাদক সেবীদের কাছে বিক্রি করে মাদক ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া এলাকায় চোলাই মদের কারখানা খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। এমন খবরের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বুধবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। এ অভিযানে উপস্থিত
ছিলেন সেনা বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও মাদ্রক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৪ ঘন্টা এ যৌথ অভিযানে কোদালসহ বিভিন্ন যন্ত্র দিয়ে মাটি খুড়ে চোলাই মদের কারখানা বেড়িয়ে আসে।
এসময় গর্ত থেকে একের পর এক চোলাই মদ ভর্তি ড্রাম। এ সময় দুই শিশুসহ ছয় মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে যৌথ বাহিনী। পরে এলাকাবাসী সম্মুখে যৌথ বাহিনী উদ্ধারকৃত প্রায় ১৫ হাজার চোলাই মদ ধ্বংস করে দেয়। তাদের এমন অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
অভিযান পরিচালনা শেষে আটককৃতদের নিয়ে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ। ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ভুইয়া, পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-
কর্মচারীরা। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী সুমিত্রা রানী, পবিত্র বর্মণ, অমিত বর্মণ ও অনিক বর্মণকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আটককৃত অপর দুই শিশু স্বপন বর্মণ ও পূর্ণিমা রানীকে মোচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অপরদিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া উত্তরপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন মাদক ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে কালিয়াকৈর থানাধীন ফুলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) সুরুজ জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালায়।
অভিযান চালিয়ে পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী রানা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে প্রায় ৮৪৫ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদন্ড প্রাপ্ত চার আসামীসহ পাঁচজনকে গাজীপুর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহামেদ জানান, চার মাদক ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ওই শিশুকে মোচলেকা নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব