গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ করে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি পুড়ে গেলেও অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন মালিক-চালকসহ অন্তত পাঁচজন মানুষ। সোমবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার সূত্রাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের সুজন মিয়া দীর্ঘদিন আগে জীবিকার খোঁজে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন। পরে তিনি উপজেলার সাহেব বাজার এলাকায় বিউটি বেগমের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। গত ৮/১০ দিন আগে তিনি ও স্থানীয় স্কয়ার কারখানায় কর্মরত কালাম মিয়া মিলে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা দিয়ে পুরাতন একটি অ্যাম্বুলেন্স কিলেন।
গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন গ্যারেজের মেকার দিয়ে ওই অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার উপজেলার বোর্ডঘর এলাকায় স্কয়ার ফামার্সিক্যাল ঔষধ কারখানার পাশে একটি গ্যারেজে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অ্যাম্বুলেন্সের তেলের লাইনের কাজ করান তারা।
সেখানে কাজ শেষে মালিক সুজন ও কালাম এবং চালক আরমান, হেলপার আলমগীর ও মেকার জুলহাস সন্ধ্যার পর ওই অ্যাম্বুলেন্সটি টেস্ট করার জন্য বেড়িয়ে পড়েন। কিন্তু তারা রাত সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কে সূত্রাপুর এলাকায় জিএমএস টেক্সটাইল পোকাশ কারখানার সামনে পৌছলে হঠাৎ করেই
তাদের চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন জ¦লে উঠে। এসময় জ¦লন্ত অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর থেকে অতিদ্রুত তারা বেড়িয় যান। এতে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন অ্যাম্বুলেন্স মালিক সুজন ও কালাম এবং চালক আরমান, সহযোগী আলমগীর ও মিস্ত্রি জুলহাস। প্রথমে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আশঙ্কায় অ্যাম্বুলেন্সের আগুন নেভাতে সাহস পাননি এলাকাবাসী।
মুহুর্তের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা। পরে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছুক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ততক্ষণে আগুনে অ্যাম্বুলেন্সটি পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে অ্যাম্বুলেন্সটি পুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে পুড়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সটি মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে নিলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ ইন্সিপেক্টর ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরি জানান, আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত জানা যায়নি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে আগুণের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের সুজন মিয়া দীর্ঘদিন আগে জীবিকার খোঁজে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন। পরে তিনি উপজেলার সাহেব বাজার এলাকায় বিউটি বেগমের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। গত ৮/১০ দিন আগে তিনি ও স্থানীয় স্কয়ার কারখানায় কর্মরত কালাম মিয়া মিলে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা দিয়ে পুরাতন একটি অ্যাম্বুলেন্স কিলেন।
গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন গ্যারেজের মেকার দিয়ে ওই অ্যাম্বুলেন্সটি মেরামত করছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার উপজেলার বোর্ডঘর এলাকায় স্কয়ার ফামার্সিক্যাল ঔষধ কারখানার পাশে একটি গ্যারেজে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অ্যাম্বুলেন্সের তেলের লাইনের কাজ করান তারা।
সেখানে কাজ শেষে মালিক সুজন ও কালাম এবং চালক আরমান, হেলপার আলমগীর ও মেকার জুলহাস সন্ধ্যার পর ওই অ্যাম্বুলেন্সটি টেস্ট করার জন্য বেড়িয়ে পড়েন। কিন্তু তারা রাত সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কে সূত্রাপুর এলাকায় জিএমএস টেক্সটাইল পোকাশ কারখানার সামনে পৌছলে হঠাৎ করেই
তাদের চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন জ¦লে উঠে। এসময় জ¦লন্ত অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর থেকে অতিদ্রুত তারা বেড়িয় যান। এতে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন অ্যাম্বুলেন্স মালিক সুজন ও কালাম এবং চালক আরমান, সহযোগী আলমগীর ও মিস্ত্রি জুলহাস। প্রথমে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের আশঙ্কায় অ্যাম্বুলেন্সের আগুন নেভাতে সাহস পাননি এলাকাবাসী।
মুহুর্তের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীরা। পরে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছুক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ততক্ষণে আগুনে অ্যাম্বুলেন্সটি পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে অ্যাম্বুলেন্সটি পুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে পুড়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সটি মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে নিলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ ইন্সিপেক্টর ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরি জানান, আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত জানা যায়নি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে আগুণের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব