গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তি সভাপতি প্রার্থী দাবী করায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
সোমবার সকালে ওই বিদ্যালয় ফটকের বাইরে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। ফলে ওই শিক্ষাঙ্গনটি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ।
এলাকাবাসী, বিদ্যালয়, বিক্ষুব্দ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইবাড়ী এলাকায় সুনামধন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে বড়ইবাড়ী এ. কে. ইউ. ইনষ্টিটিউশন এন্ড কলেজ।
সম্প্রতি ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে সভাপতি পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করবেন। ওই কমিটির সভাপতি পদে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান
এএইচএম শওকত ইমরান এবং কর অঞ্চল থেকে দূর্নীতির দায়ে সাময়িক বরখাস্তকৃত কর পরিদর্শক ও ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি আবু হাসান। কিন্তু ওই আবু হাসান সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তারা সোমবার সকালে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মুল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।
পরে মিছিলটি সিনাবহ-পাইকপাড়া সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বড়ইবাড়ী বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এসময় তারা জানিয়েছেন, আবু হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) একাধিক দায়ের করা মামলা রয়েছে। এসব দুর্নীতির মামলায় তিনি সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত হয়েছেন। আমরা কোনো অবস্থাতেই এমন দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে এই সুনামধন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই না। এদিকে বিক্ষোভ মিছিলের খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এ ঘটনায় ওই শিক্ষাঙ্গনটি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ।
ওই সভাপতি প্রার্থী আবু হাসান জানান, স্থানীয় শওকত চেয়ারম্যান ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হতে চাই। আমি যখন সভাপতি ছিলাম তখন ওই প্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত ব্যাংকে কিছু টাকা রাখা হয়েছে। সেই টাকা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে তিনি সভাপতি হতে চাচ্ছেন। এজন্য তিনি তার লোক দিয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
অপর সভাপতি প্রার্থী এইচএম শওকত ইমরান জানান, আমি কয়েকদিন ধরেই এলাকার বাইরে বেড়াতে এসেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে প্রায় ৮৬ লক্ষ টাকা জমা আছে। এই টাকা ভাঙ্গার ক্ষমতা সভাপতির একার পক্ষে কোনো সুযোগ নেই। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা মোকাদ্দমা থাকে, তাহলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না। আবু হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা থাকায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সুতরাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী তার কোনো ভাবেই ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই।
এছাড়া আবু হাসান ছেলে মানুষ সে আমার বিরুদ্ধে অনেক কিছুই বলতে পারে, এটা আমি কিছু মনে করি না। তবে এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যাবে যে আমি শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের টাকা মেরে খাই নাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান করি? বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে স্বীকার করে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সুশীল চন্দ্র সরকার জানান, আমরা ম্যানেজিং কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু সভাপতি পদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজনের নাম প্রস্তাব করতে হয়। সেক্ষেত্রে উনারা দুজনই নিজেদের সভাপতি প্রার্থী দাবী করছেন। শুনেছি, এটাকে কেন্দ্র করে আজকে আমাদের প্রতিষ্ঠানের বাইরে ওই ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।
কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সফিকুল ইসলাম জানান, থানার ডিউটি অফিসারের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন জানান, ওই ঘটনাটি আমার জানা নেই।
কালিয়াকৈরে বিক্ষোভ-মিছিলে উত্তপ্ত শিক্ষাঙ্গন, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা
কালিয়াকৈরে বিক্ষোভ-মিছিলে উত্তপ্ত শিক্ষাঙ্গন, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তি সভাপতি প্রার্থী দাবী করায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। সোমবার সকালে ওই বিদ্যালয় ফটকের বাইরে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। ফলে ওই শিক্ষাঙ্গনটি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। এলাকাবাসী, বিদ্যালয়, বিক্ষুব্দ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইবাড়ী এলাকায় সুনামধন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে বড়ইবাড়ী এ. কে. ইউ. ইনষ্টিটিউশন এন্ড কলেজ। সম্প্রতি ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে সভাপতি পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করবেন। ওই কমিটির সভাপতি পদে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানএএইচএম শওকত ইমরান এবং কর অঞ্চল থেকে দূর্নীতির দায়ে সাময়িক বরখাস্তকৃত কর পরিদর্শক ও ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি আবু হাসান। কিন্তু ওই আবু হাসান সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তারা সোমবার সকালে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মুল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। পরে মিছিলটি সিনাবহ-পাইকপাড়া সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বড়ইবাড়ী
বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এসময় তারা জানিয়েছেন, আবু হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) একাধিক দায়ের করা মামলা রয়েছে। এসব দুর্নীতির মামলায় তিনি সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত হয়েছেন। আমরা কোনো অবস্থাতেই এমন দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে এই সুনামধন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই না। এদিকে বিক্ষোভ মিছিলের খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এ ঘটনায় ওই শিক্ষাঙ্গনটি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। ওই সভাপতি প্রার্থী আবু হাসান জানান, স্থানীয় শওকত চেয়ারম্যান ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হতে চাই। আমি যখন সভাপতি ছিলাম তখন ওই প্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত ব্যাংকে কিছু টাকা রাখা হয়েছে। সেই টাকা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে তিনি সভাপতি হতে চাচ্ছেন। এজন্য তিনি তার লোক দিয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন। অপর সভাপতি প্রার্থী এইচএম শওকত ইমরান জানান, আমি কয়েকদিন ধরেই এলাকার বাইরে বেড়াতে এসেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে প্রায় ৮৬ লক্ষ টাকা জমা আছে। এই টাকা ভাঙ্গার ক্ষমতা সভাপতির একার পক্ষে কোনো সুযোগ নেই। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে
মামলা মোকাদ্দমা থাকে, তাহলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না। আবু হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা থাকায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সুতরাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী তার কোনো ভাবেই ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া আবু হাসান ছেলে মানুষ সে আমার বিরুদ্ধে অনেক কিছুই বলতে পারে, এটা আমি কিছু মনে করি না। তবে এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যাবে যে আমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টাকা মেরে খাই নাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান করি? বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে স্বীকার করে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সুশীল চন্দ্র সরকার জানান, আমরা ম্যানেজিং কমিটি গঠন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু সভাপতি পদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান থেকে তিনজনের নাম প্রস্তাব করতে হয়। সেক্ষেত্রে উনারা দুজনই নিজেদের সভাপতি প্রার্থী দাবী করছেন। শুনেছি, এটাকে কেন্দ্র করে আজকে আমাদের প্রতিষ্ঠানের বাইরে ওই ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে। কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সফিকুল ইসলাম জানান, থানার ডিউটি অফিসারের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন জানান, ওই ঘটনাটি আমার জানা নেই।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত