সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সন্ন্যাস পূজা উপলক্ষে জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী সন্ন্যাসতলী মেলা ও ঘুড়ির উৎসব। ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীঙ্গা নদীর তীরে জৈষ্ঠ্য মাসের শেষ শুক্রবার এ মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো এই মেলায় প্রধান আকর্ষণ ঘুড়ি উৎসব হলেও মিষ্টান্ন, গৃহস্থালি সামগ্রী ও হস্তশিল্পের পসরা জমে ওঠে।
মেলায় অংশ নেন আশপাশের গ্রাম ছাড়াও দুর-দুরান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ। স্থানীয়রা বলেন, আগে মেলার দিন বর্ষণ হওয়া যেন রীতি ছিল, তবে এবার ব্যতিক্রম—প্রচণ্ড গরম ও তাপপ্রবাহেও জমজমাট আয়োজন হয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব হলেও মেলায় সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ ঘটে। এটি একদিনের মেলা হলেও এলাকাজুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।
স্থানীয় প্রবীণরা জানান, বিকেলে বটতলায় হিন্দু সম্প্রদায় সন্ন্যাস পূজা পালন করেন এবং সেই পূজাকেন্দ্রিকভাবেই এই মেলার সূচনা। তবে সঠিকভাবে মেলার শুরু সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত নন, শুধু জানেন এটি প্রায় দুই শতাব্দী ধরে চলে আসছে।
ঘুড়ি উৎসবই মেলার প্রধান আকর্ষণ। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নানা বয়সী ঘুড়িপ্রেমীরা নানান রঙ ও ডিজাইনের ঘুড়ি ওড়াতে এবং কিনতে মেলায় ছুটে আসেন।
স্থানীয়দের মধ্যে মহব্বতপুর গ্রামের দুলাল, জিয়াপুরের কাজী রফিকুল, আলী হাসান রিপন, আমেদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাবা-দাদারা এই মেলায় আসতেন। তাদের দেখাদেখি আমরাও আসি। এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ।”
সিরাজগঞ্জের ফারুক হোসেন, বগুড়ার নিতাই চন্দ্র, দিনাজপুরের আলিফ হোসেনও বলেন, “প্রতিবছর আমরা এই মেলায় শুধু ঘুড়ি কিনতেই আসি।”
বগুড়া, দিনাজপুর, নওগাঁসহ আশপাশের জেলা থেকে আসা হাজারো মানুষের পদচারণায় মেলা প্রকম্পিত হয়।
নওগাঁর বদলগাছির ঘুড়ি ব্যবসায়ী করিম হোসেন জানান, “প্রায় ১০-১২ বছর ধরে ভাইয়ের সঙ্গে মেলায় ঘুড়ি বিক্রি করি। এ বছরও বিক্রি ভালো হয়েছে।”
মেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রায় ২০০ বছর ধরে এই মেলা চলে আসছে। এটি হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলে পরিচালনা করি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন।”
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন বলেন, “সন্ন্যাসতলী মেলার মূল আকর্ষণ ঘুড়ি উৎসব। এটি একটি মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।”
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মেলায় অংশ নেন আশপাশের গ্রাম ছাড়াও দুর-দুরান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ। স্থানীয়রা বলেন, আগে মেলার দিন বর্ষণ হওয়া যেন রীতি ছিল, তবে এবার ব্যতিক্রম—প্রচণ্ড গরম ও তাপপ্রবাহেও জমজমাট আয়োজন হয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব হলেও মেলায় সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ ঘটে। এটি একদিনের মেলা হলেও এলাকাজুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।
স্থানীয় প্রবীণরা জানান, বিকেলে বটতলায় হিন্দু সম্প্রদায় সন্ন্যাস পূজা পালন করেন এবং সেই পূজাকেন্দ্রিকভাবেই এই মেলার সূচনা। তবে সঠিকভাবে মেলার শুরু সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত নন, শুধু জানেন এটি প্রায় দুই শতাব্দী ধরে চলে আসছে।
ঘুড়ি উৎসবই মেলার প্রধান আকর্ষণ। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নানা বয়সী ঘুড়িপ্রেমীরা নানান রঙ ও ডিজাইনের ঘুড়ি ওড়াতে এবং কিনতে মেলায় ছুটে আসেন।
স্থানীয়দের মধ্যে মহব্বতপুর গ্রামের দুলাল, জিয়াপুরের কাজী রফিকুল, আলী হাসান রিপন, আমেদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাবা-দাদারা এই মেলায় আসতেন। তাদের দেখাদেখি আমরাও আসি। এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ।”
সিরাজগঞ্জের ফারুক হোসেন, বগুড়ার নিতাই চন্দ্র, দিনাজপুরের আলিফ হোসেনও বলেন, “প্রতিবছর আমরা এই মেলায় শুধু ঘুড়ি কিনতেই আসি।”
বগুড়া, দিনাজপুর, নওগাঁসহ আশপাশের জেলা থেকে আসা হাজারো মানুষের পদচারণায় মেলা প্রকম্পিত হয়।
নওগাঁর বদলগাছির ঘুড়ি ব্যবসায়ী করিম হোসেন জানান, “প্রায় ১০-১২ বছর ধরে ভাইয়ের সঙ্গে মেলায় ঘুড়ি বিক্রি করি। এ বছরও বিক্রি ভালো হয়েছে।”
মেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রায় ২০০ বছর ধরে এই মেলা চলে আসছে। এটি হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলে পরিচালনা করি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন।”
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন বলেন, “সন্ন্যাসতলী মেলার মূল আকর্ষণ ঘুড়ি উৎসব। এটি একটি মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।”
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব