জয়পুরহাটে ট্রাক, মেসি ট্রাক্টর ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে ইদ্রিস আলী (৪০) নামের এক অটোরিকশা চালক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।
রবিবার রাত ১২টার দিকে জয়পুরহাট-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের খঞ্জনপুর মিশন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইদ্রিস আলী জয়পুরহাট সদর উপজেলার আদর্শ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সে জয়পুরহাট সরকারী কলেজের গাড়ীর হেলপারের চাকুরী করতো।
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা চালক ইদ্রিস জয়পুরহাট থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে ভাদসার দুর্গাদহ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মেসি ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ট্রাক্টরের পাশে থাকা অটোরিকশাটি ট্রাক্টরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই অটোরিকশার চালক ইদ্রিস আলী মারা যান। পরে পুলিশ ও
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহতরা হলেন, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা গ্রামের সোবহানের ছেলে মাসুদ (৫৩), শামীম (৫০) তার স্ত্রী মিনু (৪২), নাজনীন আক্তার (২১) ও তার দুই বছরের মেয়ে নিহা আক্তার।
এদের মধ্যে গুরুতর মাসুদ হোসেন ও শামীম হোসেন ও তার স্ত্রী মিনু আক্তারকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় জয়পুরহাট সদর থানার ওসি বলেন, "দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক ও তার সহকারী পলাতক রয়েছে। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে এবং ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
রবিবার রাত ১২টার দিকে জয়পুরহাট-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের খঞ্জনপুর মিশন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইদ্রিস আলী জয়পুরহাট সদর উপজেলার আদর্শ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সে জয়পুরহাট সরকারী কলেজের গাড়ীর হেলপারের চাকুরী করতো।
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা চালক ইদ্রিস জয়পুরহাট থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে ভাদসার দুর্গাদহ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মেসি ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ট্রাক্টরের পাশে থাকা অটোরিকশাটি ট্রাক্টরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনা স্থলেই অটোরিকশার চালক ইদ্রিস আলী মারা যান। পরে পুলিশ ও
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহতরা হলেন, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা গ্রামের সোবহানের ছেলে মাসুদ (৫৩), শামীম (৫০) তার স্ত্রী মিনু (৪২), নাজনীন আক্তার (২১) ও তার দুই বছরের মেয়ে নিহা আক্তার।
এদের মধ্যে গুরুতর মাসুদ হোসেন ও শামীম হোসেন ও তার স্ত্রী মিনু আক্তারকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় জয়পুরহাট সদর থানার ওসি বলেন, "দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক ও তার সহকারী পলাতক রয়েছে। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে এবং ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব