পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী খুন হয়েছে। জয়পুরহাট সদর উপজেলার তাজপুর গ্রামে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে খুনের এ ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের বড় তাজপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রোকেয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ ঘাতক স্বামী জহির উদ্দিনকে তার বাড়ি থেকে আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার পর ভোরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথার বাম পাশে কোপ দেন জহির উদ্দিন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান রোকেয়া বেগম। হত্যার পর জহির উদ্দিন বৈদ্যুতিক শক নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
স্থানীয়রা জানান, দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন এ দম্পতি। জহির উদ্দিন প্রায় দিনই স্ত্রীকে মারধর করতেন। তাদের এক ছেলে ঢাকায় রিকশা চালান, ছেলের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। আর রোকেয়া বেগম ও জহির উদ্দিন গ্রামের বাড়িতে দুই নাতিকে নিয়ে বসবাস করতেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
জয়পুরহাট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, নিহতের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এতে কানের কিছু অংশ পর্যন্ত কেটে গেছে। স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
জয়পুরহাটে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী খুন : ঘাতক স্বামী আটক
জয়পুরহাটে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী খুন : ঘাতক স্বামী আটক
পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে স্ত্রী খুন হয়েছে। জয়পুরহাট সদর উপজেলার তাজপুর গ্রামে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে খুনের এ ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের বড় তাজপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রোকেয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ ঘাতক স্বামী জহির উদ্দিনকে তার বাড়ি থেকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার পর ভোরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে
মাথার বাম পাশে কোপ দেন জহির উদ্দিন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান রোকেয়া বেগম। হত্যার পর জহির উদ্দিন বৈদ্যুতিক শক নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।স্থানীয়রা জানান, দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন এ দম্পতি। জহির উদ্দিন প্রায় দিনই স্ত্রীকে মারধর করতেন। তাদের এক ছেলে ঢাকায় রিকশা চালান, ছেলের স্ত্রী বিদেশে থাকেন। আর রোকেয়া বেগম ও জহির উদ্দিন গ্রামের বাড়িতে
দুই নাতিকে নিয়ে বসবাস করতেন।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।জয়পুরহাট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, নিহতের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এতে কানের কিছু অংশ পর্যন্ত কেটে গেছে। স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত