মাসুম খান,ঝালকাঠি: প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুতে উঠতে হয় মই বেয়ে। যেখান থেকে গাড়ি চলাচলের কথা, সেখানে শিশু বৃদ্ধসহ সবাই পায়ে হেঁটে পথ চলে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। প্রায় দু’বছর ধরে এ অবস্থায় ব্রীজটি পড়ে থাকলেও হুশ নেই কর্তৃপক্ষের।
কয়েকজন এলাকাবাসী জানান,“সবকিছু শেষ কেবল নেই দুই পাশের সংযোগ সড়ক। ঠিকাদার কারাগারে। মই বেয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিজতে উঠতে হয় জনসাধারণকে। ঝালকাঠির রাজাপুরে গালুয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন এ গুরুত্বপূর্ন ব্রিজটি এভাবে পড়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গালুয়া বাজারের পাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এরপরে আর আজ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক।
কিন্তু অ্যাপ্রোচ সড়ক ছাড়া এই সেতু এখন পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীর গলার কাটায়। এই পথে চলাচল করতে হয় হাসপাতালের রোগী, বৃদ্ধ, নারী ও শিশু অন্তত দুই হাজারের বেশি মানুষকে। গাড়ি নিয়ে চলতে না পারায় অসুস্থদেরও হেঁটে অথবা কাঁধে চড়ে যেতে হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অন্যান্য গন্তব্যে। দুবছর ধরে এ দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দেখার কেউ নেই। অভিযোগ পেয়েও নির্বিকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃপক্ষ। এই কাজের ঝালকাঠি নিষিদ্ধ ঘোষত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। তিনি একাধিক মামলার আসামী হয়ে বর্তমানে একটি অস্ত্র মামলার সাজায় কারাগারে রয়েছন।”
রাজাপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, “জন দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে অসম্পর্ন কাজ নতুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দিয়ে সম্পন্ন করতে নতুন করে পুন:দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে কতৃপক্ষ জানায়। ”
উল্লেখ্য বীজ্রটি নির্মানে পুরো প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিলো এক কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
ঝালোকাটিতে ২ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে হয় সিঁড়ি বেয়ে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী
ঝালোকাটিতে ২ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে হয় সিঁড়ি বেয়ে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী
মাসুম খান,ঝালকাঠি: প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুতে উঠতে হয় মই বেয়ে। যেখান থেকে গাড়ি চলাচলের কথা, সেখানে শিশু বৃদ্ধসহ সবাই পায়ে হেঁটে পথ চলে পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। প্রায় দু’বছর ধরে এ অবস্থায় ব্রীজটি পড়ে থাকলেও হুশ নেই কর্তৃপক্ষের। কয়েকজন এলাকাবাসী জানান,“সবকিছু শেষ কেবল নেই দুই পাশের সংযোগ সড়ক। ঠিকাদার কারাগারে। মই বেয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিজতে উঠতে হয় জনসাধারণকে। ঝালকাঠির রাজাপুরে গালুয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন এ গুরুত্বপূর্ন ব্রিজটি এভাবে পড়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গালুয়া বাজারের পাশে
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এরপরে আর আজ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক। কিন্তু অ্যাপ্রোচ সড়ক ছাড়া এই সেতু এখন পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীর গলার কাটায়। এই পথে চলাচল করতে হয় হাসপাতালের রোগী, বৃদ্ধ, নারী ও শিশু অন্তত দুই হাজারের বেশি মানুষকে। গাড়ি নিয়ে চলতে না পারায় অসুস্থদেরও হেঁটে অথবা কাঁধে চড়ে যেতে হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অন্যান্য গন্তব্যে। দুবছর ধরে এ দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দেখার কেউ
নেই। অভিযোগ পেয়েও নির্বিকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃপক্ষ। এই কাজের ঝালকাঠি নিষিদ্ধ ঘোষত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। তিনি একাধিক মামলার আসামী হয়ে বর্তমানে একটি অস্ত্র মামলার সাজায় কারাগারে রয়েছন।” রাজাপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, “জন দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে অসম্পর্ন কাজ নতুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দিয়ে সম্পন্ন করতে নতুন করে পুন:দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে কতৃপক্ষ জানায়। ”উল্লেখ্য বীজ্রটি নির্মানে পুরো প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিলো এক কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত