জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরে আলোচনা সভা করেছে সদর উপজেলা যুবদল।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে সামনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জামালপুর সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, গতকালকে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গিয়েছে যা যুবদলের একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি সকল নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানাই। আমরা দেখেছি স্বাধীনতার পরবর্তী চুয়ান্ন বছরে এই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে বিল পাস করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করেছে। আমরা পরবর্তী সময়ে দেখেছি স্বৈরাচার এরশাদ বন্দুকের নলদিয়ে বিএনপির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে অনির্বাচিত সেই স্বৈরাতন্ত্র কায়েম করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি ২০০৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নগি বৈঠা দিয়ে মানুষ খুন করে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীলতা তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করে সেই অনির্বাচিত মঈনউদ্দীন ফখরুউদ্দিন সরকার কায়েমের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এই চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আমাদের সেই প্রিয় দল যে দলটি বার বার সেই বিপন্ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম করেছে।
তিনি বলেন, বার বার এই দলের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে সকল ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে। অনেকেই বলেছেন বিএনপি নির্বাচনে গেলে ২০১৪ সালে বিএনপি সরকার গঠন করতো। বিএনপি সেই দল যে দল ক্ষমতার লোভ করে নাই। ক্ষমতার লোভ ছেড়ে দিয়ে এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে নির্বাচন হয়েছে। আগের দিন এদেশের সাধারণ মানুষ নামাজ বন্দেগি করে খেয়ে দেয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে রাতে ঘুমিয়েছে। পরের দিন সকালে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবে।
ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমরা শুনেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন। উনি তাহাজ্জুদ নামাজের কথা বলে সেই রাতের অন্ধকারে প্রশাসন দিয়ে সিল মেরে জনগণকে ঘুমের মধ্যে রেখে নির্বাচন শেষ করে দিয়েছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যায় নাই। জনগণকে আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। সেই নির্বাচনকে প্রত্যাক্ষান করার জন্য। বাংলাদেশের জনগণ বেগম খালেদা জিয়ার ও তারেক রহমানের আহ্বানে সেই নির্বাচন প্রত্যাক্ষান করেছিল। আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ নির্বাচনে যায় নাই। নৌকা নিয়ে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগ, নৌকার বিরুদ্ধে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগের ঘরনাথ। সেই ডামি নির্বাচন দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতার মস্তক দখল করেছিলেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা মস্তক ছেড়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমরা স্বৈরাচার মুক্ত একটি বাংলাদেশ পেয়েছি।
এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম খান সজীব।জামালপুর সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফির সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, বর্তমান জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান শফি, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক এমদাদ হোসেন প্রমুখ।
বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসান সরোয়ার মঞ্জু।
আলোচনা সভা শেষে স্টেশন এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য রবি পাল ও সুরুজ আলীকে একটি করে দুটি টিউবওয়েল প্রদান করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় সদর উপজেলা যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
জামালপুরে যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
জামালপুরে যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরে আলোচনা সভা করেছে সদর উপজেলা যুবদল।বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে সামনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জামালপুর সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, গতকালকে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গিয়েছে যা যুবদলের একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি সকল নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানাই। আমরা দেখেছি স্বাধীনতার পরবর্তী চুয়ান্ন বছরে এই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে বিল পাস করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করেছে। আমরা পরবর্তী সময়ে দেখেছি স্বৈরাচার এরশাদ বন্দুকের নলদিয়ে বিএনপির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে অনির্বাচিত সেই স্বৈরাতন্ত্র কায়েম করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি ২০০৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নগি বৈঠা দিয়ে মানুষ খুন করে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীলতা তৈরি করে নির্বাচন বানচাল করে সেই অনির্বাচিত মঈনউদ্দীন ফখরুউদ্দিন সরকার কায়েমের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এই চুয়ান্ন বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আমাদের
সেই প্রিয় দল যে দলটি বার বার সেই বিপন্ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রাম করেছে। তিনি বলেন, বার বার এই দলের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে সকল ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে। অনেকেই বলেছেন বিএনপি নির্বাচনে গেলে ২০১৪ সালে বিএনপি সরকার গঠন করতো। বিএনপি সেই দল যে দল ক্ষমতার লোভ করে নাই। ক্ষমতার লোভ ছেড়ে দিয়ে এই নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে নির্বাচন হয়েছে। আগের দিন এদেশের সাধারণ মানুষ নামাজ বন্দেগি করে খেয়ে দেয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে রাতে ঘুমিয়েছে। পরের দিন সকালে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবে। ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমরা শুনেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন। উনি তাহাজ্জুদ নামাজের কথা বলে সেই রাতের অন্ধকারে প্রশাসন দিয়ে সিল মেরে জনগণকে ঘুমের মধ্যে রেখে নির্বাচন শেষ করে দিয়েছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যায় নাই। জনগণকে আহ্বান জানিয়ে ছিলেন। সেই নির্বাচনকে প্রত্যাক্ষান করার জন্য। বাংলাদেশের জনগণ বেগম খালেদা জিয়ার ও তারেক রহমানের আহ্বানে সেই নির্বাচন প্রত্যাক্ষান করেছিল। আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ নির্বাচনে যায় নাই। নৌকা নিয়ে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগ,
নৌকার বিরুদ্ধে যারা নির্বাচন করেছে তাঁরাও আওয়ামী লীগের ঘরনাথ। সেই ডামি নির্বাচন দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতার মস্তক দখল করেছিলেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা মস্তক ছেড়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমরা স্বৈরাচার মুক্ত একটি বাংলাদেশ পেয়েছি। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম খান সজীব।জামালপুর সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফির সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, বর্তমান জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান শফি, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক এমদাদ হোসেন প্রমুখ।বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসান সরোয়ার মঞ্জু।আলোচনা সভা শেষে স্টেশন এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য রবি পাল ও সুরুজ আলীকে একটি করে দুটি টিউবওয়েল প্রদান করা হয়।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় সদর উপজেলা যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত