মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি :পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জামালপুরের শরীফপুর ইউনিয়নে ভিজিএফ খাদ্যশস্য (চাল) বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীর ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও, অনেককে দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৮ কেজি থেকে সোয়া ৯ কেজি। ডিজিটাল মিটার বিহীন থাকায় বালতি করে চাল দেওয়ার কারণে চাল পাচ্ছে সুবিধা ভোগীরা।
শুক্রবার ইউনিয়নের ৭৩০০ জন উপকারভোগীর মাঝে মোট ৭৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। স্লিপ কেনা চাল কালোবাজারীরা বিকেল থেকে চাল ৫ টি করে স্লিপ দিয়ে চাল উত্তোলন শুরু করেন।
শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় পরিষদে গিয়ে গেছে, ইউনিয়নের বিভিন্ন চাল কালোবাজারীরা ৫ টি করে স্লিপ দিয়ে ৫০ কেজি করে চাল উত্তোলন করে পরিষদের সামনেই রাখছেন। এদিকে পরিষদের পার্শেই জমে উঠে চাল কালোবাজারীদের মিলন মেলা। আর তারা পরিষদের পার্শেই চাল কেনেন। অন্যদিকে তথ্য রয়েছে পরিষদের কয়েকজন মেম্বার স্লিপ বিক্রি করে দিয়েছে চাল কালোবাজারীদের কাছে। পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতার ও ইউনিয়ন সচিব ফরিদ খানকে জানালে তারা দীর্ঘক্ষণ চাল দেওয়া বন্ধ রাখেন।
এদিকে সুবিধাভোগী সুলতানা বেওয়া জানান, চাল পেয়েছি ৯ কেজি। ১০ কেজি দেওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে এক চাল কালোবাজারী জানান, আমি ৫ টা স্লিপ কিনে চাল উত্তোলন করলাম খাওয়ার জন্য।
তবে ইউনিয়নের সচিব ফরিদ খান জানান,আমি ৫ মিনিটের জন্য একটু রেস্টে এসেছিলাম। দু একটা এমন হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতার জানান, এমন হয়ে থাকলে তদন্ত করে দোশীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি খোজ খবর নিচ্ছি৷
জামালপুরে ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম
জামালপুরে ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম
মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি :পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জামালপুরের শরীফপুর ইউনিয়নে ভিজিএফ খাদ্যশস্য (চাল) বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীর ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও, অনেককে দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৮ কেজি থেকে সোয়া ৯ কেজি। ডিজিটাল মিটার বিহীন থাকায় বালতি করে চাল দেওয়ার কারণে চাল পাচ্ছে সুবিধা ভোগীরা। শুক্রবার ইউনিয়নের ৭৩০০ জন উপকারভোগীর মাঝে মোট ৭৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। স্লিপ কেনা চাল কালোবাজারীরা বিকেল থেকে চাল
৫ টি করে স্লিপ দিয়ে চাল উত্তোলন শুরু করেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় পরিষদে গিয়ে গেছে, ইউনিয়নের বিভিন্ন চাল কালোবাজারীরা ৫ টি করে স্লিপ দিয়ে ৫০ কেজি করে চাল উত্তোলন করে পরিষদের সামনেই রাখছেন। এদিকে পরিষদের পার্শেই জমে উঠে চাল কালোবাজারীদের মিলন মেলা। আর তারা পরিষদের পার্শেই চাল কেনেন। অন্যদিকে তথ্য রয়েছে পরিষদের কয়েকজন মেম্বার স্লিপ বিক্রি করে দিয়েছে চাল কালোবাজারীদের কাছে। পরবর্তীতে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতার ও ইউনিয়ন সচিব ফরিদ খানকে জানালে তারা দীর্ঘক্ষণ
চাল দেওয়া বন্ধ রাখেন। এদিকে সুবিধাভোগী সুলতানা বেওয়া জানান, চাল পেয়েছি ৯ কেজি। ১০ কেজি দেওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে এক চাল কালোবাজারী জানান, আমি ৫ টা স্লিপ কিনে চাল উত্তোলন করলাম খাওয়ার জন্য। তবে ইউনিয়নের সচিব ফরিদ খান জানান,আমি ৫ মিনিটের জন্য একটু রেস্টে এসেছিলাম। দু একটা এমন হতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতার জানান, এমন হয়ে থাকলে তদন্ত করে দোশীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি খোজ খবর নিচ্ছি৷
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত