বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
সারাবাংলা জামালপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন
logo

জামালপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন

জামালপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা করেছে জেলা বিএনপি।

দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ মোড় থেকে এক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ফৌতি গোরস্থান স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। 
পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে ও মহাশ্মশানে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী যখন জাতির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় এবং বির্বিচারে খুন, গুম ও গণধর্ষণ শুরু করে তখন শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব এই জাতিকে সঠিক মুক্তির পথ না দেখিয়ে পাকিস্তান সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তানের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার জন্য। ঠিক সে সময়ে যে মানুষটি বুঝতে সক্ষম হয়েছিল এ জাতির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নাই। 

তিনি আরও বলেন, যে কারণে নিজের জীবন বাজি রেখে সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারের সাথে বিদ্রোহ ঘোষণা করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ জাতির মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতারা এই জাতিকে ফাঁকি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠনের নামে ভারত গিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন। 
ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, ৩০ লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে, ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই জাতির স্বাধীনতা যখন নিশ্চিত, পাক হানাদার বাহিনীও যখন বুঝতে পেরেছিল আর সম্ভব নয়। ঠিক সেই মূহুর্তে বিজয়ের ঠিক আগে পাক হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এই জাতির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার হীন কৌশলে ১৪ ডিসেম্বর এই দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদেরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। আমরা আজকে সেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

এ সময় জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান শফি, শহর বিএনপির সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল
হালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নূরুল মোমেন আকন্দ কাওছারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অপর দিকে বিকেলে জেলা প্রশাসকের উদ্যােগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খুঁজুন