প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের বিরুদ্ধে একাধিক কুচক্রীমহল কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলি।
শুক্রবার (২৭ জুন) বিকালে শহরের দড়ি পাড়া এলাকায় প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজেের সভা কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল রেজাউল ইসলাম সেলিম বলেন, প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ১৩ জন পরিক্ষার্থী এডমিট পায়নি এর মূল কারণ হলো, এই ছেলে-মেয়ে গুলো কোন না কোন প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ছিল। যে পর্যন্ত ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইন টিসির মাধ্যমে ক্লিয়ার সার্টিফিকেট না আনতে পারবে সেই পর্যন্ত কোন অবস্থাতেই আমরা ঐ ছাত্রদের আমাদের স্কুলের ছাত্র বলে দাবি করতে পারিনা। কোন অবস্থাতেই আমাদের ফরম ফিলআপ করা সম্ভব ছিলোনা।
তিনি আরও বলেন, আমরা বার বার প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নোটিশ দিয়েছি। টেলিফোনে কন্টাক করেছি এবং ক্লাসেও বলেছি। কিন্তু যারা আনতে পেরেছে তারা এডমিট পেয়েছে। যে সকল স্টুডেন্ট আনতে ব্যর্থ হয়েছে তারা এডমিট পায়নি। এটাই হলো মূল কারণ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও চেষ্টা করেছে বিদ্যালয়গুলোর সাথে যোগাযোগ করে অনলাইন টিসি আনার জন্য তা আমরা জানি। আমরাও চেষ্টা করেছি তারাও জানে। এই অনলাইন টিসির জটিলতার কারণে তাদের এডমিট কার্ড আসেনি।
এডমিট কার্ড না পাওয়া শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, আমরা যথা সময়ে অনলাইনে টিসির আবেদন করতে পারিনি। যার কারণে আমাদের ফরম ফিলআপের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ জড়িত নয় এবং আর্থিক ঘটনার বিষয়টি যেভাবে প্রচার হয়েছে তা ভিত্তিহীন, তা আমরা স্বীকার করছি।
সংবাদ সম্মেলনে অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান, গণিত শিক্ষক মিজানুর রহমান, রসায়ন শিক্ষক রাজিউল ইসলাম লান্জু, আইসিটি শিক্ষক মাহাদী মাসুদ ও পরীক্ষা বঞ্চিত শিক্ষার্থীসহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
শুক্রবার (২৭ জুন) বিকালে শহরের দড়ি পাড়া এলাকায় প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজেের সভা কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল রেজাউল ইসলাম সেলিম বলেন, প্রশান্তি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের ১৩ জন পরিক্ষার্থী এডমিট পায়নি এর মূল কারণ হলো, এই ছেলে-মেয়ে গুলো কোন না কোন প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ছিল। যে পর্যন্ত ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইন টিসির মাধ্যমে ক্লিয়ার সার্টিফিকেট না আনতে পারবে সেই পর্যন্ত কোন অবস্থাতেই আমরা ঐ ছাত্রদের আমাদের স্কুলের ছাত্র বলে দাবি করতে পারিনা। কোন অবস্থাতেই আমাদের ফরম ফিলআপ করা সম্ভব ছিলোনা।
তিনি আরও বলেন, আমরা বার বার প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নোটিশ দিয়েছি। টেলিফোনে কন্টাক করেছি এবং ক্লাসেও বলেছি। কিন্তু যারা আনতে পেরেছে তারা এডমিট পেয়েছে। যে সকল স্টুডেন্ট আনতে ব্যর্থ হয়েছে তারা এডমিট পায়নি। এটাই হলো মূল কারণ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও চেষ্টা করেছে বিদ্যালয়গুলোর সাথে যোগাযোগ করে অনলাইন টিসি আনার জন্য তা আমরা জানি। আমরাও চেষ্টা করেছি তারাও জানে। এই অনলাইন টিসির জটিলতার কারণে তাদের এডমিট কার্ড আসেনি।
এডমিট কার্ড না পাওয়া শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, আমরা যথা সময়ে অনলাইনে টিসির আবেদন করতে পারিনি। যার কারণে আমাদের ফরম ফিলআপের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ জড়িত নয় এবং আর্থিক ঘটনার বিষয়টি যেভাবে প্রচার হয়েছে তা ভিত্তিহীন, তা আমরা স্বীকার করছি।
সংবাদ সম্মেলনে অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান, গণিত শিক্ষক মিজানুর রহমান, রসায়ন শিক্ষক রাজিউল ইসলাম লান্জু, আইসিটি শিক্ষক মাহাদী মাসুদ ও পরীক্ষা বঞ্চিত শিক্ষার্থীসহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব